হোম > সারা দেশ > ভোলা

মনপুরায় নিখোঁজ দুই শিশু উদ্ধার, এখনো সন্ধান মেলেনি ১৩ বছরের হাবিবুরের

মনপুরা (ভোলা) প্রতিনিধি

নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর শিশু আরাফাত ও জুনায়েদকে উদ্ধার করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

ভোলার মনপুরায় নিখোঁজের এক দিন পর দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পেরিয়ে গেলেও হাবিবুর রহমান (১৩) নামে আরেক শিশুর সন্ধান মেলেনি। তাকে খুঁজে না পাওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন স্বজনেরা। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আজ রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উদ্ধার হওয়া দুই শিশুর অভিভাবক ও নিখোঁজ হাবিবুরের পরিবারের সদস্যরা এসব তথ্য জানান।

উদ্ধার হওয়া দুই শিশু হলো মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. নাজিমুদ্দিন মঞ্জুর ছেলে জুনায়েদ (১২) এবং একই এলাকার মো. নাজিমুদ্দিনের ছেলে আরাফাত (১২)। অপর নিখোঁজ শিশু হাবিবুর রহমান (১৩) উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. কামালের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, জুনায়েদ ও আরাফাত মনপুরা বাংলাবাজার নূরানি মাদ্রাসার দ্বিতীয় জামায়াতের ছাত্র। গত শুক্রবার বিকেলে তারা বাংলাবাজার কলেজ মাঠে খেলতে যায়। খেলা শেষে তারা বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিন শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পাশের একটি এলাকা থেকে খেলাধুলারত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া শিশু জুনায়েদের বাবা মো. নাজিমুদ্দিন মঞ্জু বলেন, ‘শুক্রবার বিকেলে আমার ছেলে জুনায়েদ ও আরাফাত বাংলাবাজার কলেজ মাঠে খেলতে যায়। এরপর তারা আর বাসায় ফেরেনি। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তাদের সন্ধান পাইনি। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জানতে পারি, পাশের এলাকার একটি বাড়িতে তারা রয়েছে। পরে সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।’

ঢাকার মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ শিশু হাবিবুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

অন্যদিকে নিখোঁজ হাবিবুর রহমানের বাবা মো. কামাল জানান, তাঁর ছেলে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মুরাদপুর মাদ্রাসাতুল দারুল কুরআনে পড়াশোনা করে। গত শুক্রবার রাতে মাগরিবের নামাজ পড়তে যাওয়ার পর সে আর মাদ্রাসায় ফেরেনি। এরপর থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ছেলের সন্ধান পেতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন হাবিবুরের বাবা।

এ বিষয়ে মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘শিশু নিখোঁজের বিষয়ে কোনো অভিভাবক থানায় জানায়নি। তারপরও বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।’