বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে পৃথক দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় এক শিক্ষকসহ ১৬ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ক্লাস চলাকালে চরএককরিয়া ইউনিয়নের দাদপুর তেমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আলীমাবাদ ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, বেলা আড়াইটার দিকে বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা ছোটাছুটি শুরু করে। এ সময় ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলামসহ আট শিক্ষার্থী আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। কেউ কেউ জ্ঞান হারায়।
আহত ব্যক্তিরা হলো ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা ফারুকুল ইসলাম; সপ্তম শ্রেণির জান্নাত বেগম; অষ্টম শ্রেণির ফাতেমা বেগম দোলা, আমেনা বেগম, সুমাইয়া বেগম ও মীম আক্তার এবং নবম শ্রেণির আফরোজ আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার মৌ বলে, ‘দুপুরে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে বিদ্যালয়ের ওপর বজ্রপাত হয়। স্যারসহ আমরা কয়েকজন জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। পরে বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষক ও স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।’
একই সময়ে আলীমাবাদ ইউনিয়নের পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় আরও আট শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে জানান বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য বাহাদুর মৃধা। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিন ফকির বলেন, বজ্রপাতের বিকট শব্দে আতঙ্কিত হয়ে শিক্ষার্থীরা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ও অজ্ঞান হয়ে যায়। তাদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আব্দুল কাদের বলেন, বজ্রপাতে আহত হয়ে দাদপুর স্কুলের আটজন হাসপাতালে এসেছে। কেউ গুরুতর নয়। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তারা অনেকটা সুস্থ। তবে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।