হোম > সারা দেশ > বরগুনা

পায়রা নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বরগুনা প্রতিনিধি

জুঁই। ছবি: সংগৃহীত

বরগুনায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে পায়রা নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়া দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জুঁইয়ের (১৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তালতলী উপজেলার জয়ালভাঙা নলবুনিয়া এলাকায় তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র-সংলগ্ন পায়রা নদীর তীরে স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পান।

নিহত জুঁই রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা জনি চৌধুরীর মেয়ে। তাদের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার নরহা গ্রামে।

গতকাল রোববার সকাল ৯টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ৯ নম্বর এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের লতাকাটা খেয়াঘাট এলাকায় পায়রা নদীতে গোসলে গিয়ে নিখোঁজ হয় জুঁই।

ঘটনার পরপরই বরগুনা ফায়ার সার্ভিস, ডুবুরি দল ও সদর থানা-পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে। নদীর বিভিন্ন অংশে দীর্ঘসময় তল্লাশি চালিয়েও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। অবশেষে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৩৩ ঘণ্টা পর তালতলী উপজেলার জয়ালভাঙা এলাকায় মরদেহটি ভেসে ওঠে। পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রোববার সকালে ঢাকা থেকে বাবার সঙ্গে বরগুনার বালিয়াতলী ইউনিয়নের লতাকাটা এলাকায় নানা শানু মৃধার বাড়িতে বেড়াতে যায় স্কুলশিক্ষার্থী জুঁই। এরপরই এক স্বজনের সঙ্গে জুঁই পার্শ্ববর্তী পায়রা নদীতে গোসল করতে যায়। নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় পানিতে তলিয়ে যায় ওই শিক্ষার্থী।

পরবর্তী সময়ে স্থানীয় বাসিন্দারা মিলে নদীতে জাল টেনে খোঁজাখুঁজি করেও জুঁইকে কোথায় পাওয়া যায়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসনাইন পারভেজ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।