বাগেরহাটের মোল্লাহাটে নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টা পর মুসলিমা (৭) নামের এক শিশুর পলিথিনে মোড়ানো গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার একটি মাছের ঘেরের পাড় থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। জড়িত সন্দেহে কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন নিহতের বিক্ষুব্ধ স্বজনেরা। নিহত মুসলিমা কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার ইসলাম শেখের মেয়ে।
স্থানীয়রা জানান, আজ বিকেলে বাড়ির আশপাশে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল মুসলিমা। হঠাৎ তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবার ও প্রতিবেশীরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সন্ধ্যার পর স্থানীয়রা কাছের একটি মাছের ঘেরের পাড়ে পলিথিনে মোড়ানো শিশুটির গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে বাড়িঘরের আগুন নিয়ন্ত্রণে এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিস মোল্লাহাট স্টেশনের স্টেশন অফিসার শরিফ আমিনুল ইসলাম জানান, তারা ঘটনাস্থলের কাছেই আছেন। সেখানকার পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ, পুলিশ আসলে তারা ঘটনাস্থলে প্রবেশ করবেন।
মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাদাত হোসেন জানান, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা-পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’