বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে রুমানা আক্তার (৩০) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিহতের স্বামী রহমান খানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
এর আগে আজ দুপুরে নিজ ঘর থেকে রুমানার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ ভ্যানে করে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন রুমানার স্বামী ভ্যানচালক রহমান খানসহ আরও দুইজন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহত রুমানা আক্তার মোরেলগঞ্জ উপজেলার জিউধরা ইউনিয়নের সোমাদ্দারখালী গ্রামের ইউনুছ হাওলাদারের মেয়ে। আটক রহমান খান একই উপজেলার হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের গোদাড়া গ্রামের জয়নাল খানের ছেলে। প্রায় ১৫ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়।
রুমানার বাবা ইউনুছ হাওলাদারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই রুমানা আক্তারকে নির্যাতন করতেন রহমান খান। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে একাধিকবার সালিস বৈঠক হয়েছে। তাঁর মেয়েকে গলাটিপে হত্যা করে হাসপাতালে নিয়ে বলছে আত্মহত্যা করেছে। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।
মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শাহরিয়া হক বলেন, ‘ওই গৃহবধূকে মৃত অবস্থায় তাঁর স্বামীসহ আরও দুইজন হাসপাতালে নিয়ে আসেন।’
মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল্লাহ বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রহমান খানকে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।’