মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় এক গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার চার আসামি হলেন মহম্মদপুর উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের মো. সিজান মাহমুদ (২০), নাফিজ আহম্মেদ (২২), রুবেল শেখ (২৪) ও মো. সুমন শেখ (২৫)। তাঁদের মধ্যে ১ ও ২ নম্বর আসামি সিজান মাহমুদ ও নাফিজ আহম্মেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা দুজনই গত বছরের ২০ এপ্রিল ঘোষিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মহম্মদপুর উপজেলা কমিটির সদস্য ও মুখপাত্র ছিলেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাগুরা জেলার আহ্বায়ক সেলিম জানিয়েছেন, যে কমিটিতে তাঁদের নাম এসেছিল, মাত্র দুই দিনের মাথায় সেই কমিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। বর্তমানে ওই কমিটির কোনো বৈধতা নেই।’
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী একটি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে চাকরি করে আসছিলেন। গত (৫ জানুয়ারি) সোমবার ডিউটি শেষে নিজের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে সাবিনা খাতুন মোহাম্মদপুর থানাধীন গোপালপুর গ্রামের মেসবার ইটভাটার মোড়ে যানবাহন থেকে নামেন। এ সময় সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা অভিযুক্ত চার আসামি জোরপূর্বক তাঁকে ধরে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী সাবিনা খাতুনকে সানি'র মালিকানাধীন একটি মেহগনি বাগানে তুলে নিয়ে গিয়ে রাত ১১টার দিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহম্মদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বলেন, ওই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ওই দিন পরিহিত কাপড়চোপড় সংগ্রহ করা হয়েছে। এখন আদালতের মাধ্যমে ভুক্তভোগী নারী ও আসামিদের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।