রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় বসতভিটার সীমানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে নারীসহ ৯ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মারধর, লুটপাট ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা করা হয়েছে।
মামলার বাদী ভুক্তভোগী পরিবারের গৃহবধূ আশা মনি (২৫) অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার ইফতারের আগমুহূর্তে তাঁর চাচা শ্বশুর আলম মিয়া বাড়ির পাশের নিজস্ব জমিতে গরুর খাবারের জন্য একটি পাকা হাউস নির্মাণ করছিলেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা রেজাউল ইসলাম জমির দাবি তুলে কাজ বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
অভিযোগে বলা হয়, রেজাউল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকজন লাঠিসোঁটা, দা, ছোরা ও লোহার রড নিয়ে হামলা চালান। এতে আলম মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়া, মাইদুল ইসলাম, মমিনা বেগম, ইয়াছিন আরাফাতসহ অন্তত ৯ জন আহত হন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
বাদীপক্ষের দাবি, হামলার শিকার মমিনা বেগমের (৪৮) গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং নির্মাণাধীন হাউস ভাঙচুর করে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়। আহতদের উদ্ধার করতে গেলে পরিবারের অন্য সদস্যদেরও মারধর করা হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত রেজাউল ইসলাম (৫০)। তিনি বলেন, জমিটি তাঁদের দখলে রয়েছে এবং প্রতিপক্ষই আগে হামলা চালায়। আত্মরক্ষার্থে তাঁরা প্রতিরোধ করেন।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সবুর জানান, এ বিষয়ে গতকাল রাতে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।