বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কর্মচারীরা ছয় দফা দাবি আদায়ে কর্মবিরতি শুরু করেছেন। আজ রোববার (১ মার্চ) তাঁরা এই কর্মবিরতি শুরু করেন। ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম অনেকটা ব্যাহত হয়।
কর্মচারীদের দাবিগুলো হচ্ছে নিয়মিত আপগ্রেডেশন বোর্ড বসানো ও প্রাপ্য তারিখ থেকে তা কার্যকর করা, সিন্ডিকেট অনুমোদিত অধিককাল কাজের বকেয়া বিল পরিশোধ, সরল সুদে সাধারণ গৃহনির্মাণ ঋণ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, সার্ভিস রুল ও নিজস্ব পেনশন বিধিমালা প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত সরকারি বিধি অনুযায়ী পেনশন প্রদান, কর্মচারীদের সংগঠন করার অধিকার এবং কর্মচারীদের বিমা, আবাসনব্যবস্থা ও কল্যাণ তহবিলের আওতাভুক্ত করা।
কর্মচারী প্রতিনিধি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অফিস সহায়ক মো. হাসানুজ্জামান জানান, উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মাদ তৌফিক আলম ইউজিসির দোহাই দিয়ে তাঁদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করছেন। দাবি আদায়ে ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের প্রায় ১৬০ জন কর্মচারী এই কর্মবিরতিতে অংশ নেন। তাঁদের এই দাবি আগামী তিন দিনের মধ্যে মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেবেন।
এ সময় কর্মচারীদের পক্ষে আরও বক্তব্য দেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী পরিষদের সাবেক সভাপতি আজিজ শিকদার, সাবেক সভাপতি আরিফুল ইসলাম সুমন প্রমুখ।
এ বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম জানান, কর্মচারীদের নিয়ে আগামীকাল সোমবার তিনি বসবেন। তাঁদের ছয়টি দাবি থাকলেও মূল বিষয় হলো আপগ্রেডেশনে পদোন্নতি। ইউজিসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিন্ন নীতিমালার কারণে এটি নিয়ে জটিলতা থাকলেও আলাপ-আলোচনায় সমাধান হবে বলে আশা করছেন তিনি। অন্য পাঁচটি দাবির অধিকাংশই পূরণ হয়েছে বলে জানান।