হোম > সারা দেশ > পিরোজপুর

পিরোজপুর-২ আসনে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রার্থীদের ভিন্নমত

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

বিএনপির প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন ও জামায়াতের প্রার্থী শামীম বিন সাঈদী। ছবি: সংগৃহীত

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী পিরোজপুর-২ আসনের প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা ও সভা-সমাবেশ শেষ করেছেন। এখন সবার নজর ভোটের দিনের দিকে।

প্রচার শেষ হওয়ার পর মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ভিন্নমত দিয়েছেন প্রার্থীরা। বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী পরিস্থিতিকে সন্তোষজনক বললেও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শামীম বিন সাঈদী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোবাইলে শামীম বিন সাঈদী বলেন, ‘ভোটের দায়িত্বে থাকা প্রশাসন মুখে নিরপেক্ষতার কথা বললেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে নির্লিপ্ত আচরণ করছে।’ তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনী মাঠে কালোটাকা ছড়ানো হলেও প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এ বিষয়ে একাধিক লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের মধ্যেও জয়ের ব্যাপারে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষের পরও জয়ের বিষয়ে আশাবাদের কারণ জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।

শামীম বিন সাঈদী পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী। তিনি পিরোজপুরের আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে।

এই আসনে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় পার্টি (জেপি) ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে বিএনপির আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন, জামায়াতের শামীম বিন সাঈদী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেনের প্রচারণা ছিল বেশি চোখে পড়ার মতো।

বিএনপির প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন বলেন, ‘প্রশাসন এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক ভূমিকা পালন করছে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকলে সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের ভূমিকা মোটামুটি সন্তোষজনক।’ সবার সহযোগিতা থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, আচরণবিধি প্রতিপালনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। কোথাও কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

টেকনাফে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন

ফেনীতে গরুর খামার থেকে বিদেশি পিস্তল উদ্ধার

রাজশাহীতে পেট্রলবোমা ও ককটেল উদ্ধার

আনোয়ারায় ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা চুরি

ভোটের আগে ফাঁকা রাজধানী

মঞ্জুরুল আহসানকে শোকজ, সশরীরে আজ দুপুরে সাক্ষাৎ

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে খুলনায় প্রশাসনে ম্যারাথন বৈঠক, দিকনির্দেশনা

উখিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযান: দেশি-বিদেশি অস্ত্রসহ আটক ২

চন্দনাইশে গভীর রাতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ১০ লাখ টাকাসহ মাইক্রোবাস জব্দ, আটক ৩

ভোটের দিন বন্ধ ভারত ভ্রমণ ও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য