পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার মুন্সিগঞ্জের পদ্মা সেতু দিয়ে ঘরমুখী মানুষের যাত্রার দ্বিতীয় দিনেও যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। আজ বুধবার ভোর থেকে সেতুর উত্তর প্রান্তে লৌহজং উপজেলার মাওয়া টোল প্লাজায় যানবাহনের তেমন চাপ দেখা যায়নি। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতেও বড় ধরনের যানজটের খবর পাওয়া যায়নি। ফলে যাত্রীরা স্বস্তিতে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন।
তবে যানবাহনের সংকটের কারণে পদ্মা সেতু উত্তর থানার সামনে কিছু যাত্রী ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছেন। অনেকে বাধ্য হয়ে ট্রাক ও পিকআপে করে রওনা হয়েছেন।
পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় বড় যানবাহনের জন্য সাতটি এবং মোটরসাইকেলের জন্য তিনটি আলাদা টোল কাউন্টার চালু থাকায় দ্রুত সময়ের মধ্যে টোল আদায় সম্পন্ন হচ্ছে। ফলে দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে না এবং চালকেরাও সহজে সেতু পার হতে পারছেন।
বরিশালগামী যাত্রী মো. রাসেল হাওলাদার বলেন, ‘সকালে ঢাকা থেকে রওনা দিয়েছি। পদ্মা সেতুতে কোনো যানজট না থাকায় স্বস্তিতে যাচ্ছি।’
আরেক যাত্রী সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘পরিবার নিয়ে ঈদের জন্য বাড়ি যাচ্ছি। সেতুতে কোনো জ্যাম না থাকায় যাত্রা অনেক সহজ হয়েছে।’
পদ্মা উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মো. আক্তার হোসেন জানান, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে এবং পদ্মা সেতু এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং যাত্রী হয়রানি রোধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।