রাজধানী ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের শৌচাগার থেকে দৈনিক দিনকালের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আলী মামুদের (৭০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ ও আলী মামুদের স্বজনদের প্রাথমিক ধারণা, হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন।
আজ মঙ্গলবার সকালে প্রেসক্লাবের দ্বিতীয় তলার শৌচাগার থেকে আলী মামুদের মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আলী মামুদের ছেলে আলী আব্দুল্লাহ তাসভীর জানান, আলী মামুদ দৈনিক দিনকালের সিটি এডিটর ছিলেন। তাঁদের বাসা মধ্যবাড্ডার শাহাবুদ্দিন মোড় এলাকায়। বাসা থেকে গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে বের হয়েছিলেন তিনি। এরপর দুপুরে যান প্রেসক্লাবে। পরে সোমবার রাত ১২টা বেজে গেলেও তিনি বাসায় ফেরেননি। এরপর আলী মামুদের সহকর্মীদের ফোন করে খোঁজ নিলেও তাঁর সন্ধান মেলেনি। তবে অনেকেই জানান, সোমবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রেসক্লাবে তাঁকে দেখা গেছে।
তাসভীর আরও বলেন, আজ সকাল ৭টার দিকে তাঁকে (আলী মামুদ) আবার খুঁজতে বের হন। একপর্যায়ে প্রেসক্লাবের এক অফিস সহকারী শৌচাগারের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখেন। এ সময় নিচ দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখেন, ভেতরে কেউ একজন পড়ে আছেন। তখন দরজাটি ভেঙে তাঁকে শৌচাগারের মেঝেতে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
মৃত আলী মামুদের স্ত্রী জেসমিন আরা জানান, ১২ বছর আগে তাঁর স্বামীর ওপেন হার্ট সার্জারি করানো হয়েছিল। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে তিনি মারা গেছেন বলে তাঁর ধারণা।
দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক আলী মামুদের বাড়ি রাজশাহীর পবা উপজেলার ভীমের ডাইং গ্রামে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান। তিনি জানান, আলী মামুদের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।