হোম > সারা দেশ > ঢাকা

তদন্তের পর মামলা করবে দুদক

তিতাসের অর্থে নসরুল হামিদের প্রতিষ্ঠানের গ্যাস-সংযোগ

সৈয়দ ঋয়াদ, ঢাকা 

সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘হামিদ অ্যাগ্রো’। আর তাতে গ্যাস-সংযোগ দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের অর্থে। এ কাজে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র জানিয়েছে বিষয়টি।

দুদক সূত্র বলেছে, শেখ হাসিনা সরকারের প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে গ্যাস-সংযোগের ব্যবস্থা করেন নসরুল হামিদ। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এ জন্য তিতাসের অর্থে ১৬ ইঞ্চি ব্যাসের পাইপলাইন স্থাপন এবং ত্রিশাল টার্মিনাল বুস্টার স্টেশনের মডিফিকেশন-সংক্রান্ত কাজ করা হয়। পেট্রোবাংলা প্রণীত অভিন্ন মূল্যতালিকা-২০২০ অনুসরণ করে প্রকল্পের ব্যয় প্রাক্কলন হালনাগাদ করা হয় এবং নির্মাণকাজে মোট প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সাধারণত বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের গ্যাস-সংযোগের ক্ষেত্রে অবকাঠামোগত ব্যয় সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাকেই বহন করতে হয়। সেখানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অর্থে একজন ক্ষমতাসীন মন্ত্রীর পারিবারিক মালিকানার প্রতিষ্ঠানে সংযোগ দেওয়া নৈতিক ও আইনি প্রশ্ন তৈরি করেছে। দুদকের অনুসন্ধানে এ ঘটনাকে ‘গুরুতর অনিয়ম’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

নসরুল হামিদের বিরুদ্ধে এর আগেও ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানির বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মসহ নানাভাবে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে থাকাকালে তিনি অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ অর্জন করেন এবং এর একটি অংশ বিদেশে পাচার করেন।

দুদক-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র দাবি করেছে, তিতাসের গ্যাস সংযোগসংক্রান্ত অভিযোগের অনুসন্ধান চলাকালে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী।

বর্তমানে দুদক নতুন করে নথিপত্র পর্যালোচনা করছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, রাষ্ট্রীয় অর্থে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে অবকাঠামো নির্মাণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এটি দুর্নীতি দমন আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। তদন্তে অনিয়মের সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে নসরুল হামিদের বিরুদ্ধে চারটি মামলা করা হয়েছে। একটিতে সরাসরি তাঁকে আসামি করা হয়েছে। অপর তিনটি মামলাতে তাঁকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে। নসরুল হামিদের স্ত্রী, ছেলে ও সিআরআইয়ের বিরুদ্ধে হওয়া পৃথক তিনটি মামলায় তাঁকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে। চলমান অন্য অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রমাণ পাওয়া সাপেক্ষে মামলা করবে দুদক।

এ বিষয়ে ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পর থেকে পলাতক বিবেচিত নসরুল হামিদ বা তাঁর প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সিবিএর তিন নেতাকে নিয়ে ‘নমনীয়’ কর্তৃপক্ষ

নির্ধারিত দামে মিলছে না সার, বাড়ছে খরচ

গাছ কেটে ৭৫ একর বনভূমি দখলের চেষ্টা

পুলিশের পোশাকে চাঁদা তোলেন ‘ভাগিনা নাঈম’

খুলনায় ৫ দিন ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ীকে উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

রায়েরবাজারে রাস্তায় স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

পাথরঘাটায় ট্রলারের ইঞ্জিন চুরি করে বিক্রির অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

নির্বাচনী সহিংসতা: পুরুষশূন্য ঝিনাইদহের দুই গ্রাম

হেলে পড়া পাঁচতলা ভবনে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস

নির্মাণাধীন ভবনে শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় হাতিরঝিল থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ