জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটকেন্দ্র ৬৭৫টি। এর অর্ধেকের বেশি, অর্থাৎ ৩৭৯টি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। এই আসনগুলোয় বিএনপি-জামায়াত জোটসহ ৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
নির্বাচন অফিস সূত্র বলেছে, গাইবান্ধায় ভোটার রয়েছেন ২১ লাখ ৭২ হাজার ৪৯৯ জন। এখানকার পাঁচটি আসনের ৬৭৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬৫টি দুর্গম চরাঞ্চলে।
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে একটি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নে মোট ভোটকেন্দ্র ১২৩টি। এর মধ্যে অতি ঝুঁকিপূর্ণ ১১টি ও ঝুঁকিপূর্ণ ৪১টি। এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৯ হাজার ১১২ জন। এখানে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে একটি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নে মোট ভোটকেন্দ্র ১১৮টি। এর মধ্যে অতি ঝুঁকিপূর্ণ ১১টি ও ঝুঁকিপূর্ণ ৫১টি। এই আসনে মোট ভোটার রয়েছেন ৪ লাখ ১১ হাজার ৪৬০ জন। এখানে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে একটি পৌরসভা ও ১৯টি ইউনিয়নে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৬টি। এর মধ্যে অতি ঝুঁকিপূর্ণ ১৭টি ও ঝুঁকিপূর্ণ ৮৭টি। এই আসনে ভোটার রয়েছেন ৫ লাখ ৬ হাজার ১৮৫ জন। এখানে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে একটি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়নে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪২টি। এর মধ্যে অতি ঝুঁকিপূর্ণ পাঁচটি ও ঝুকিপূর্ণ ১০৫টি। এই আসনে মোট ভোটার রয়েছেন ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৩৮৪ জন। এখানে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে ১৭টি ইউনিয়নে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৬টি। এর মধ্যে অতি ঝুঁকিপূর্ণ ৩৫টি ও ঝুকিপূর্ণ ৯০টি কেন্দ্র। এই আসনে মোট ভোটার রয়েছেন ৩ লাখ ৮৫ হাজার ২৬১ জন। এখানে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের সব প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে।
গাইবান্ধার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে ১ হাজার ১০০ সেনাসদস্য, ৪০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৫ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। এ ছাড়া আড়াই হাজার পুলিশ সদস্য ও র্যাবের ১৪টি টহল টিম থাকবে। তিনি জানান, ভোটকেন্দ্রগুলো সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে।