জমি নিয়ে বিরোধে ঢাকার কেরানীগঞ্জে কৃষক দল নেতা ও তাঁর ছেলেদের বিরুদ্ধে এক পুলিশ সদস্যের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এ ভাঙচুর চালানো হয়।
ভুক্তভোগী শফিকুল পুলিশ কনস্টেবল, তিনি গাজীপুর পুলিশ লাইনে কর্মরত। অপর দিকে অভিযুক্ত নুর ইসলাম হযরতপুর ১ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক দলের সভাপতি, তাঁর ছেলে তুষার একই ইউনিয়নের যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং অপর ছেলে নিরব সাবেক ছাত্রদল সভাপতি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুর ইসলাম ও শফিকুল আত্মীয়। পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত ৫৪ শতাংশ জমিতে শফিকুলের বাবা জজ মিয়া, চাচা আমজাদ ও লাট মিয়ার পরিবার বসবাস করে আসছেন।
শফিকুলের অভিযোগ, নুর ইসলাম কয়েক বছর ধরে ওই জমি ক্রয় করেছেন বলে দাবি করে আসছেন এবং একটি জাল দলিল তৈরি করে জমি নিজের নামে নামজারি করেন। বিষয়টি জানতে পেরে তারা আদালতে মামলা করেন, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে।
শফিকুল আরও অভিযোগ করেন, আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় রোববার সকালে নুর ইসলাম ও তাঁর দুই ছেলে শতাধিক লোক নিয়ে এসে ভেকু দিয়ে তাঁদের বাড়ি ও জমিতে থাকা দুটি দোকানঘর ভাঙচুর করেন।
শফিকুল আরও বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে এবং তিনি পুলিশ সদস্য হয়েও কোনো সহায়তা পাননি।
শফিকুলের বাবা জজমিয়া জানান, এ ঘটনায় তাঁদের ১০-১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং রাব্বি নামের এক যুবক আহত হয়ে কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দুপক্ষের মধ্যে জমিজমা নিয়ে পূর্ব বিরোধ ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।