হোম > সারা দেশ

সিগারেট বাকি না দেওয়ায় পুতেরে মাইরা ফেলছে: নিহত রাফসানের মা 

উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

দক্ষিণখান থানাধীন গাওয়াইরের আশকোনার বাইতুর মামুর মসজিদ রোডে বুধবার (২৩ আগস্ট) ছুরিকাঘাতে খুন হন আল আমিন টি-স্টোরের দোকানি রাফসান (১৭)। এ ঘটনায় ওই দিনই হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিসহ কিশোরকে (১৬) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সিগারেট বাকি না দেওয়ায় এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে নিহতের পরিবার।  

নিহত রাফসানের বাবা মুসলেম হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ছেলেকে খুন করার আগের দিন (মঙ্গলবার) সিগারেট বাকি চাইছে। কিন্তু ছেলে বাকি দেয় নাই। পরে ছেলেকে দেখে নেওয়ার হুমকি-ধমকি দিয়ে চারটি বিস্কুট নিয়ে চলে যায়। পরের দিন এসে আমার ছেলেকে খুন করে ফেলেছে।’ 

ছেলে হত্যার বিচারের দাবিতে বুধবার দিবাগত রাতে দক্ষিণখান থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের মা কুসুম বেগম। গ্রেপ্তার কিশোরকে বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণখান থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোছা. রেজিয়া খাতুন। 

রাফসানের মা কুসুম বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সিগারেট বাকি চাইছিল। তখন আমার পুতে বলছে, মাত্র দোকান খুলছি। সিগারেট বাকি নাই। তখন হুমকি দিয়ে বলছিল, তুই কার কাছে সিগারেট বিক্রি করস আমি দেখমু। সিগারেট না দিয়ে আরেকজনকে আগে চা দিছে। যার কারণে আমার পুতেরে মাইরা ফেলছে। 

রায়হানের বড় ভাই আল-আমিন বলেন, ‘সকালে আমি দোকানে বসি, বিকেলে রাফসান বসে। আগের দিনের হুমকির বিষয়ে রাফসান আমায় কিছু কয় নাই। দোকানে যাওয়ার এক ঘণ্টা পর ফোন দিয়ে একজন জানায়, ওরে ছুরি দিয়া পার দিছে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিছুক্ষণ পর মারা গেছে।’ 

নিহতের বড় বোন লিলি আক্তার বলেন, আগেও ওই পোলা পেয়ারা বাগান এলাকায় একটা খুন করছে। ওই খুনের কারণে তার বাবা জেলে আছে। কিন্তু ওর কিছুই হয় নাই। 

দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, মৃত্যুর আগে ভিকটিম বলে গেছে, আগের দিন কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। এটা নিয়েই হামলা করেছে। 

অপরদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোছা. রেজিয়া খাতুন বলেন, বৃহস্পতিবার আসামিকে আদালতে পাঠানো হলে সে ম্যাজিস্ট্রেট রশিদুল আলমের আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেয়। পরে তাকে ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দির বরাত দিয়ে রেজিয়া খাতুন বলেন, বড় ভাই, ছোট ভাই নিয়ে ওদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। হত্যাকাণ্ডের আগের দিন পোলাপান নিয়ে রাফসানকে খুঁজেছিল। হত্যাকাণ্ডের দিন ওদের দেখা হয়। তখন রাফসান বলেছিল, আমায় খুঁজতেছিলা কেন? তুমি কি আমায় মারবা? কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে রাফসানের বুকে ঘুষি মারে। সেই সঙ্গে আদা কাটার চাকু দিয়ে বুকের মধ্যে আঘাত করে।

রাজশাহীর ২ আসন: বিএনপির বিদ্রোহীরা নির্বাচনী মাঠে, আশাবাদী জামায়াত

বগুড়া: এক বছরে ৪১১ আত্মহত্যা

ভোটের আগে সীমান্তে সক্রিয় অস্ত্র কারবারিরা

ঢাকা-১৯ আসন: বিভক্ত জামায়াত, সুযোগ বিএনপির

আক্কেলপুর পৌরসভা: অনুমোদনহীন সামগ্রীতে কাজ, নজরদারি নেই

খুলনার বটিয়াঘাটা: পাউবোর জমি দখলে নিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান

গাইবান্ধায় বিএনপির ২ গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া

ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে নেতা-কর্মীদের প্রতি গোলাম আকবরের আহ্বান

সরিয়ে ফেলা হলো সেই বিলবোর্ড

রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে বাস চলাচল বন্ধ, বিপাকে যাত্রীরা