হোম > সারা দেশ > জয়পুরহাট

আক্কেলপুরে ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট শাখায় ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, আবার গ্রেপ্তার ব্যবস্থাপক

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি 

গ্রেপ্তার রিজওয়ানা ফারজানা। ছবি: আজকের পত্রিকা

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের এজেন্ট শাখা থেকে গ্রাহকের প্রায় দেড় কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের ঘটনার ওপর একটি মামলায় ওই শাখার ব্যবস্থাপক রিজওয়ানা ফারজানাকে (৩৫) আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এর আগে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় একটি মাদ্রাসার মুহতামিম ফিরোজ আহমদ গত ২৩ মার্চ বাদী হয়ে শাখার মালিম মো. জাহিদুল ইসলাম, ব্যবস্থাপক রিজওয়ানা ফারজানা ও ক্যাশিয়ার মাসুদ রানাকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

ওই মামলায় এক দিনের মাথায় রিজওয়ানা ফারজানাসহ আসামিরা জামিনে বের হয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। একই ঘটনায় গত ১৫ এপ্রিল জয়পুরহাট শাখা ব্যবস্থাপক হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় গত রোববার রাতে আক্কেলপুর থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়ার তালোড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। গতকাল সোমবার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

মামলার তদন্তকারী আক্কেলপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম রব্বানী বলেন, ইসলামী ব্যাংকের আক্কেলপুর শাখার গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় দায়ের করা অপর একটি মামলায় শাখা ব্যবস্থাপক রিজওয়ানা ফারজানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই মামলার আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রিজওয়ানা আক্কেলপুর পৌর শহরের হাজীপাড়া মহল্লার বাসিন্দা। এজেন্ট ব্যাংক কার্যক্রম শুরুর পর থেকে তিনি আক্কেলপুর শাখায় কর্মরত ছিলেন। এজেন্ট ব্যাংকে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় এ পর্যন্ত পাঁচটি মামলা হয়েছে। আরও অন্তত ১০ থেকে ১২ জন গ্রাহক মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। এসব ভুক্তভোগীর দাবি, এখন পর্যন্ত তিন কোটির বেশি টাকা আত্মসাতের হিসাব পাওয়া গেছে।

পুলিশ ও অভিযোগকারীদের সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মার্চ ইসলামী ব্যাংকের আক্কেলপুর এজেন্ট শাখায় গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের বিষয়টি ধরা পড়ে। ওই দিন ক্যাশিয়ার মাসুদ রানা গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের কথা স্বীকার করেন।

তিনি তখন জানিয়েছিলেন, এসব টাকায় গ্রামে জমি কেনার পাশাপাশি বিভিন্ন সম্পদ অর্জন করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁর স্বীকারোক্তির ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। ওই রাতেই ব্যাংকটির কার্যালয় থেকে ক্যাশিয়ার মাসুদ রানা, ব্যবস্থাপক রিজওয়ানা ফারজানা ও এজেন্ট জাহিদুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে এক গ্রাহক ওই তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এক দিন পরই তাঁরা তিনজন জামিনে মুক্তি পান।

ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা টাকা ফেরতসহ জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবিতে ৯ এপ্রিল আক্কেলপুর পৌর শহর ও ১৩ এপ্রিল জয়পুরহাট শহরের ইসলামী ব্যাংকের সামনে মানববন্ধন করেন। তাঁরা ব্যাংকটির জেলা শাখায় ধরনা দিয়েও টাকা ফেরতের কোনো নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না।

ভুক্তভোগী গ্রাহক আবদুস ছালাম মণ্ডল বলেন, ‘অনেক গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলে হিসাব করে জানতে পেরেছি, তাঁরা প্রায় তিন কোটির বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। আরও হিসাব আসতেছে, তখন টাকার পরিমাণ আরও বেশি হবে। আমরা টাকা ফেরতের আশায় দিনের পর দিন টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় ঘুরতেছি কোনো লাভ হচ্ছে না। এই টাকা তাঁরা কীভাবে সরালেন, সেটা ইসলামী ব্যাংক জয়পুরহাট শাখার কর্মকর্তাদের জানার কথা।’

২৪ ঘণ্টা পার হলেও শার্শায় পল্লিচিকিৎসক হত্যায় গ্রেপ্তার নেই

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে দলমত দেখার দরকার নেই: শামা ওবায়েদ

‘ওইহানের ইফতারির টাহায় আমাগো ঈদের বাজার হইব’

রাজধানীতে দুজনের মরদেহ উদ্ধার

গৃহকর্মী নির্যাতন: রিমান্ডে ‘স্বীকারোক্তি’ দিলেও আদালতে জবানবন্দি দিলেন না বিমানের সাবেক এমডি

পুলিশ চেকপোস্টে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের, সড়ক অবরোধ

স্থগিত ভিসা প্রক্রিয়া চালু করতে সরকার কাজ করছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

যে পরিমাণ বকেয়া, আমার জন্য একটা কঠিন পরীক্ষা: টুকু

নকলের মতোই মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গড়ার অঙ্গীকার শিক্ষামন্ত্রীর

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে দেওয়া হবে না: ধর্মমন্ত্রী