কুমিল্লার হোমনা উপজেলার মনিপুর গ্রামে স্ত্রী, সন্তান ও ভাতিজা খুনের ঘটনার ১৫ দিন পার হলেও এখনো কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন প্রবাসফেরত জহিরুল ইসলাম। খুনিদের ভয়ে নিজের বাড়ি ছেড়ে বর্তমানে অন্যের ঘরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন তিনি।
জহিরুল ইসলাম জানান, বিদেশে কষ্টার্জিত অর্থে তিনি দালানঘর নির্মাণ করেছিলেন। স্বপ্ন ছিল স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনদের নিয়ে সেখানে শান্তিতে বসবাস করবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় নির্মম হত্যাকাণ্ডে।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে তাঁর বাড়িতে দুর্বৃত্তরা ঢুকে স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখী (৩২), শিশুসন্তান মোহাম্মদ হোসাইন (৪) এবং ভাতিজা জুবাইদকে (৫) গলা কেটে হত্যা করে। ঘটনার পরদিন জহিরুল ইসলাম সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে পুলিশের কাছে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে ১৫ দিন পার হলেও কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়া এবং হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন না হওয়ায় পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বাড়ছে।
জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘নিজের টাকায় বানানো বাড়িতেও এখন থাকতে ভয় লাগে। খুনিরা আবার আক্রমণ করতে পারে—এই আশঙ্কায় ভাইয়ের ঘরে থাকছি।’
হোমনা থানার পরিদর্শক দীনেশ দাশগুপ্ত বলেন, ‘খুনের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাও কাজ করছেন।’