বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হলো বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ আয়োজিত দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা। আজ রোববার (২১ জুন) বিকেল ৪টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচার কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে এই আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বাচিকশিল্পী ও সংস্কৃতিজন আশরাফুল আলম বলেন, ‘সারা বিশ্বের লোকসংগীতের চেয়ে বাংলাদেশের লোকসংগীত শ্রেষ্ঠ। সংগীতের মাধ্যমে আমাদের ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে হবে।’
অতিথি শেখ সাদী খান বলেন, সংগীত মানুষকে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা দেয়। সংগীতকে আত্মস্থ করতে হয়।
শুরুতেই জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন সুরের ধারার শিল্পীরা। ঢাক-ঢোলসহ বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠানস্থল কচি-কাঁচার মেলা থেকে বেরিয়ে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা হয়ে আবার কচি-কাঁচার মেলায় গিয়ে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্বে স্বাগত ভাষণ দেন বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র শীল। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি, একুশে পদকপ্রাপ্ত গণসংগীতশিল্পী মাহমুদ সেলিম।
এর পরে শুরু হয় সংগীত ও নৃত্যানুষ্ঠান। সেখানে দলীয় ও একক পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে ওঠেন বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পীরা। শুরুতে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে স্পন্দন। এরপর একক ও দলীয় সংগীত পরিবেশন করেন সুরের ধারা, নিবেদন, গীত শতদল, অভ্যুদয়, রাধারমণ সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র, বিশ্ববীণা, সংগীত ভবন, নির্ঝরিণী একাডেমি, বুলবুল ললিতকলা একাডেমি, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, মরমি লোকগীতি শিল্পীগোষ্ঠী এবং দেলোয়ার হোসেন বয়াতি ও তাঁর দলের শিল্পীরা।
আয়োজনের দ্বিতীয় দিন আগামীকাল সোমবার (২২ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় শুরু হবে আলোচনা অনুষ্ঠান। এ পর্বে প্রধান অতিথি থাকবেন আকরামুল ইসলাম। এ দিনও আলোচনা পর্বের পরে শুরু হবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। যেখানে দলীয় ও একক পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে উঠবেন বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পীরা।