হোম > বিশ্লেষণ

ট্রাম্পের ৫০ কোটি ডলার মুনাফা: যেভাবে হোয়াইট হাউসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল পাকিস্তান

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

জানুয়ারিতে ইসলামাবাদে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব এবং ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়ালের জ্যাক উইটকফ চুক্তিতে স্বাক্ষর করছেন। পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০২৫ সালের আর্থিক আয়ের হিসাব প্রকাশিত হয়েছে গত সপ্তাহে। তাঁর আয়ের বিবরণীতে একটি সংখ্যা বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। তাঁর পরিবারের ক্রিপ্টো উদ্যোগ ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল (ডব্লিউএলএফ) শুধু টোকেন বিক্রি থেকেই গত বছর ৫০ কোটি ডলারের বেশি আয় করেছে। সামগ্রিকভাবে ক্রিপ্টো খাত থেকে ট্রাম্পের আয় হয়েছে আরও কয়েকশ কোটি ডলার।

এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি ছিল পাকিস্তান। চলতি বছরের জানুয়ারিতে পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয় ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়ালের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসসি ফাইন্যান্সিয়াল টেকনোলজিসের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করে। এর লক্ষ্য ছিল সীমান্তপারের লেনদেনে প্রতিষ্ঠানটির ডলার-সমর্থিত (ডলার-পেগড) ইউএসডি ১ (USD1) স্টেবলকয়েন ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাই করা।

চুক্তি স্বাক্ষরের সময় ইসলামাবাদে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। ট্রাম্পের উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফের ছেলে জ্যাক উইটকফসহ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেবের সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন জ্যাক উইটকফ।

প্রায় ছয় মাস পর পাকিস্তানের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, ইউএসডি–১ ব্যবহার নিয়ে কোনো পরীক্ষামূলক প্রকল্প (পাইলট) চালু হয়নি। এ জন্য কোনো লাইসেন্সও দেওয়া হয়নি। এমনকি এই স্টেবলকয়েন ব্যবহার করে কোনো লেনদেন হয়েছে বলেও জানা যায়নি। তবুও বিশ্লেষকদের মতে, এমওইউর ঘোষিত উদ্দেশ্য ও বাস্তব অগ্রগতির মধ্যে ব্যবধান থাকলেও পাকিস্তান এমন একটি অর্জন করেছে, যার মূল্য ট্রাম্পের ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল থেকে পাওয়া ৫০ কোটি ডলারের আয়ের চেয়েও কম নয়। সেটি হলো ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে ইসলামাবাদের বিরল প্রবেশাধিকার।

কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন

স্টেবলকয়েন হলো এমন এক ডিজিটাল মুদ্রা, যার মূল্য একটি নির্দিষ্ট সম্পদের সঙ্গে স্থিরভাবে সংযুক্ত থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেটি যুক্তরাষ্ট্রের ডলার। ব্যাংকের মাধ্যমে না গিয়েই ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ স্থানান্তরের সুবিধা দেওয়ার জন্য এগুলো তৈরি করা হয়েছে। ইউএসডি ১ হলো ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়ালের এমনই একটি স্টেবলকয়েন।

প্রতিষ্ঠানটি প্রতিটি কয়েনের বিপরীতে সংরক্ষিত রিজার্ভ থেকে সুদ আয় করে। অর্থাৎ, ইউএসডি ১ যত বেশি ব্যবহৃত হবে, তত বেশি আয় হবে এর মালিকদের, যার মধ্যে ট্রাম্প পরিবারও রয়েছে।

পাকিস্তান ইতোমধ্যে বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রিপ্টো বাজার। চেইনঅ্যানালাইসিসের ক্রিপ্টো গ্রহণযোগ্যতা সূচক অনুযায়ী, গত বছর দেশটি বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে ছিল। এর আগে ছিল শুধু ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র। ধারণা করা হয়, পাকিস্তানের অনানুষ্ঠানিক ক্রিপ্টো কার্যক্রমের বড় অংশই বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টেবলকয়েন টেথারের ইউএসডিটি (USDT) ব্যবহার করে পরিচালিত হয়।

তবে পাকিস্তানে কোনো লেনদেনে ইউএসডি ১ ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আরও বিস্তৃতভাবে বলতে গেলে, এ ধরনের চ্যানেলের মাধ্যমে ঠিক কত অর্থ লেনদেন হয়, সেটিও স্পষ্ট নয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ ব্যাংক কর্মকর্তা আল জাজিরাকে বলেন, এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো হিসাব নেই। প্রচলিত সংখ্যাগুলোও আনুষ্ঠানিক অর্থপ্রবাহের তথ্য থেকে অনুমান করা হয়েছে, সরাসরি পরিমাপ করে নয়।

ধারণা করা হয়, অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলের মাধ্যমে মোট রেমিট্যান্সের প্রায় এক-দশমাংশ আসে। তবে এর মধ্যে স্টেবলকয়েনের অংশ কত, তা নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি। এই অনিশ্চয়তার বিপরীতে রয়েছে রেকর্ড পরিমাণ আনুষ্ঠানিক রেমিট্যান্স প্রবাহ। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য শেষ হওয়া অর্থবছরে দেশটি ৩৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে। এটি দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ এবং আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৭ শতাংশ বেশি।

সর্বশেষ যেসব তথ্য পাওয়া গেছে, সেই অনুযায়ী—মে মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ দাঁড়ায় রেকর্ড ৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যাশা, চলতি বছরে রেমিট্যান্স ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

এতে চুক্তিটির যৌক্তিকতা নিয়ে আরও বড় প্রশ্ন উঠে। কানাডাভিত্তিক ব্যাংকিং ও অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ ইব্রাহিম খলিল আল জাজিরাকে বলেন, ‘পাকিস্তান যখন ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাচ্ছে এবং এখন অনেক ক্ষেত্রেই অর্থ স্থানান্তর তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভব হচ্ছে, তখন মানুষ কেন ইউএসডিটি (টেথারের স্টেবলকয়েন) ব্যবহার করছে?’ তিনি বলেন, ‘কারণ যাই হোক না কেন, তারা ব্যাংকিং চ্যানেল এড়িয়ে যাচ্ছে। যদি ব্যাংকিং চ্যানেলই ব্যবহার করতে হয়, তাহলে ইউএসডি ১ সেই সমস্যার সমাধান করবে না।’

খলিল আরও একটি বাস্তব সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেন।

জুনের শেষ দিকে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ১৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার, যা দিয়ে প্রায় দুই মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। তিনি বলেন, পাকিস্তানের বাণিজ্য অংশীদাররা যদি সরাসরি ইউএসডি ১ গ্রহণ না করে, তাহলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এই টোকেন আবার ডলারে রূপান্তর করতে হবে। এতে প্রক্রিয়া সহজ হওয়ার বদলে বরং আরও জটিল হতে পারে।

বাস্তবায়নের আগে নিয়ন্ত্রণ কাঠামো

তারপরও পাকিস্তান দ্রুত একটি নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।

মার্চে পাস হওয়া ভার্চুয়াল অ্যাসেটস অ্যাক্টের মাধ্যমে স্থায়ী নিয়ন্ত্রক সংস্থা পাকিস্তান ভার্চুয়াল অ্যাসেটস রেগুলেটরি অথরিটি (পিভারা) গঠন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষমতা পেয়েছে। অনুমোদন ছাড়া কার্যক্রম পরিচালনা করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে।

এপ্রিল মাসে স্টেট ব্যাংক লাইসেন্সপ্রাপ্ত ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যাংক হিসাব খোলার অনুমতি দেয়। তবে পিভারা এখনো শুধু প্রাথমিক আবেদন গ্রহণ করছে। পূর্ণাঙ্গ লাইসেন্সিং নীতিমালা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। বৈশ্বিক ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্স এবং এইচটিএক্স ‘নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট’ পেয়েছে এবং নিবন্ধিত হয়েছে, কিন্তু এখনো পাকিস্তানে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই জ্যেষ্ঠ ব্যাংক কর্মকর্তা ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়ালের সঙ্গে হওয়া চুক্তি নিয়ে সতর্ক মন্তব্য করেন। তিনি আল জাজিরাকে বলেন, ‘এই এমওইউ মূলত সম্ভাবনা যাচাই, প্রযুক্তিগত সংলাপ এবং জ্ঞান বিনিময়ের জন্য। এতে কোনো নির্দিষ্ট স্টেবলকয়েন চালুর প্রতিশ্রুতি নেই।’

তিনি আরও বলেন, পিভারার লাইসেন্সিং শর্ত পূরণ করতে পারলে যে কোনো প্রতিষ্ঠান শেষ পর্যন্ত একই ধরনের সেবা দিতে পারবে। তাঁর ভাষায়, ‘কার সঙ্গে কাজ হচ্ছে, তার চেয়ে অবকাঠামোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ সময়সীমা সম্পর্কে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, লাইসেন্স দেওয়া, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তি, পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালু এবং পরে তা বড় পরিসরে বাস্তবায়ন করতে বাস্তবিক অর্থেই কয়েক মাস সময় লাগবে।

কূটনীতি ও প্রবেশাধিকার

রেমিট্যান্স সংক্রান্ত যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও এই চুক্তির কূটনৈতিক গুরুত্বকে সহজে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়ালের প্রতিনিধি দল প্রথম ইসলামাবাদে আসে গত বছরের এপ্রিলে। ঠিক তার কয়েক দিন আগে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে সশস্ত্র হামলায় বহু মানুষ নিহত হয়। ওই ঘটনার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আবারও উত্তেজনা বেড়ে যায়।

গত বছরের জুনে পাকিস্তান ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেয়। ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা প্রশমনে তাঁর ‘অসাধারণ রাষ্ট্রনায়কসুলভ নেতৃত্বের’ প্রশংসা করে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়। ২০২৫ সালের জুনে ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রণ জানান আসিম মুনিরকে। কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রপ্রধান নন, এমন কোনো পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের হোয়াইট হাউসে এভাবে যাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।

জানুয়ারির এমওইউটি হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর ঠিক আগে। ওই সময় পাকিস্তান ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করে। গত মাসে সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে শান্তির একটি কাঠামো তৈরিতে আসিম মুনির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি মুনিরকে একজন মহান ‘রাষ্ট্রনায়ক’ বলেও উল্লেখ করেন।

পিভারার চেয়ারম্যান বিলাল বিন সাকিব গত বছরের এপ্রিলে ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়ালের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। পরে পাকিস্তান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি সেই পদ ছেড়ে দেন। ২০২৬ সালের মার্চে বিলাল বিন সাকিব ব্লুমবার্গকে বলেন, ক্রিপ্টো খাতে পাকিস্তানের উদ্যোগ ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন করে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে এবং বিভিন্ন দরজা খুলে দিতে সহায়তা করেছে।

হোয়াইট হাউসের দাবি, এ ক্ষেত্রে কোনো স্বার্থের সংঘাত ছিল না। বিলাল বিন সাকিব, পিভারা এবং পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে কোনো সাড়া দেয়নি।

শেষ পর্যন্ত এই চুক্তি পাকিস্তানের শ্রমজীবী মানুষের উপকারে আসবে কি না, তার চেয়ে রাষ্ট্র ইতোমধ্যে কী অর্জন করেছে, সেটিই হয়তো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। করাচিভিত্তিক অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষক খুররম হুসাইন বলেন, ‘এই এমওইউ ছিল প্রবেশাধিকার পাওয়ার একটি হাতিয়ার ছাড়া আর কিছুই নয়। এর পেছনে বাস্তব কোনো নীতিগত ভিত্তি ছিল না। প্রবেশাধিকারই ছিল মূল হিসাব, আর সেটি দারুণভাবে সফল হয়েছে। ইসলামাবাদের সবচেয়ে বড় বাস্তব অর্জন ছিল ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে ভালো প্রবেশাধিকার পাওয়া। পরে ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কূটনৈতিক তৎপরতা সেই সুবিধাকে আরও শক্তিশালী করেছে।’

ইব্রাহিম খলিলও একই ধরনের মত দেন। তিনি বলেন, ‘আমার চূড়ান্ত মূল্যায়ন হলো, পুরো বিষয়টি ছিল প্রবেশাধিকার কেনার একটি প্রচেষ্টা (পে ফর অ্যাকসেস)।’

আল জাজিরা থেকে অনূদিত

আল-জাজিরার চোখে মেসি-ম্যারাডোনার দেশ নিয়ে বাংলাদেশিদের উন্মাদনা

২ লাখ ২৯ হাজার মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে নতুন ব্রিটিশ-মার্কিন চুক্তি

ইসরায়েলের নতুন টার্গেট তুরস্ক ও ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’ অক্ষ, কী করবে মধ্যপ্রাচ্য

ম্যারাডোনা থেকে মেসি: বাংলাদেশিরা আর্জেন্টাইন ফুটবলার কেন এত বেশি পছন্দ করে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ কী বার্তা দিল

বিশ্বকাপ টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম, প্রশ্নের মুখে ফিফার মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি

দীনেশ ত্রিবেদীকে মন্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে বাংলাদেশকে কী বার্তা দিল ভারত

সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ কি তবে আসন্ন

বিশ্বকাপে ভাইরাল তারকাদের আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু

প্রেসিডেন্ট পদের দৌড়ে ভ্যান্স-রুবিও দ্বৈরথ প্রকাশ্যে