হোম > নারী

প্রকৃতি রক্ষা ও সম-অধিকারের লড়াইয়ে গ্রামীণ নারী

ফিচার ডেস্ক  

ছবি: সংগৃহীত

এ বছরের আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবসের মূল ভাবনা ‘প্রকৃতি রক্ষায় গ্রামীণ নারী কৃষক’। বীজ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, পানি ব্যবস্থাপনা ও মাটি পুনরুদ্ধারে প্রতিদিন গ্রামীণ নারীরা যে ভূমিকা রাখছেন, তা স্মরণীয় করে রাখতেই এই আয়োজন। শুধু খাদ্য সংস্থান নয়, আমাদের অস্তিত্বের মূল প্রাকৃতিক সম্পদগুলো তাঁরা পরম মমতায় আগলে রাখেন। তবে তাঁদের এই বিপুল অবদানের তুলনায় অধিকার এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা খুব কম। এ কারণে টেকসই ভবিষ্যতের জন্য কিছু বিষয় নজরে রাখা প্রয়োজন।

  • সম্পদের আইনি স্বীকৃতি: জমি, পানি ও প্রাকৃতিক সম্পদে গ্রামীণ নারীদের সরাসরি আইনি অধিকার।
  • সমান সুযোগ-সুবিধা: অর্থায়ন, বাজার, প্রযুক্তি ও কৃষি সেবায় সমান প্রবেশাধিকার।
  • গৃহস্থালি কাজের মূল্যায়ন: তাঁদের ওপর চাপানো অবৈতনিক সেবামূলক কাজের স্বীকৃতি, কাজের চাপ কমানো এবং পরিবারের মধ্যে তা বণ্টন।

চলতি নারী কৃষক বর্ষ এবং জাতিসংঘের জলবায়ু, জীববৈচিত্র্য ও মরুকরণবিষয়ক কনভেনশনগুলোর বৈঠক গ্রামীণ নারীদের প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে মূল্যায়নের বড় সুযোগ এনে দিয়েছে। কৃষি নীতি নির্ধারণ ও জলবায়ু বাজেটে তাঁদের কার্যকর নেতৃত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। জাতিসংঘ নারী সংস্থা বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, গ্রামীণ নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাধাগুলো দূর করে সরাসরি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। খাদ্য ও প্রকৃতি রক্ষায় তাঁদের যতখানি অবদান, সমাজ ও রাষ্ট্রে তাঁদের ক্ষমতার ভারসাম্যও ততখানি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

সূত্র: ইউএন উইমেন