দল যেমনই করুক, আবুধাবিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে আফগানিস্তান অধিনায়ক রহমত শাহ দুর্দান্ত খেলছেন। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর পেয়ে গেছেন ফিফটি। নাম লিখিয়েছেন এক এলিট ক্লাবে, যেখানে আছেন বিরাট কোহলি-গ্রেগ চ্যাপেলের মতো কিংবদন্তিরাও।
বাংলাদেশ টেস্ট দিয়েই ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে অধিনায়কত্বের শুরু হয় রহমতের। প্রথম ইনিংসে ২১৬ বলে ১০৫ রানে অপরাজিত থাকেন। দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৫১ রান। তাতে টেস্টে ষষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে অধিনায়কত্বের অভিষেকে সেঞ্চুরি ও ফিফটির কীর্তি গড়েন তিনি। তাঁর আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন গ্রেগ চ্যাপেল, কোহলি, আর্চি ম্যাকলারেন, জিওফ র্যাবোন ও ব্রেন্ডন টেলর।
রহমতের মতো কীর্তি সবশেষ টেস্টে করেছিলেন কোহলি। ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট অধিনায়কত্বের অভিষেকে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। অ্যাডিলেডে প্রথম ইনিংসে ১১৫ রানের পর ১৪১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক।
টেলরের কীর্তিটাও বাংলাদেশের বিপক্ষে। ২০১১ সালে হারারেতে প্রথম ইনিংসে ৭১ রান করেছিলেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে ১০৫ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন জিম্বাবুয়ের এই ব্যাটার। একবিংশ শতাব্দীতে টেলর, কোহলি, রহমতের টেস্টে অধিনায়কত্বের অভিষেকে সেঞ্চুরি-ফিফটির কীর্তি রয়েছে।
কোহলির মতো টেস্ট অধিনায়কত্বের অভিষেকে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরির কীর্তি গ্রেগ চ্যাপেলের। ১৯৭৫ সালে ব্রিসবেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ১২৩ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ১০৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি। সবার আগে এই কীর্তি গড়েন ইংল্যান্ডের ম্যাকলারেন। ১৮৯৭ সালে যখন তিনি টেস্টে প্রথম অধিনায়কত্ব করেন, তখন তাঁর প্রতিপক্ষ ছিল অস্ট্রেলিয়া। এরপর ১৯৫৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের র্যাবোন টেস্ট অধিনায়কত্বের অভিষেকে সেঞ্চুরি-ফিফটি করেন।
রহমত ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে টেস্ট অধিনায়কত্বের অভিষেকে সেঞ্চুরি-ফিফটির কীর্তি গড়লেও আবুধাবি টেস্টের নাটাই বাংলাদেশের হাতে। আজ পঞ্চম দিনে জিততে বাংলাদেশের চাই ৭ উইকেট। আফগানিস্তানের এখনো করতে হবে ৩৪৭ রান।