রান পাহাড় গড়ার পর দারুণ বোলিংয়ে তিন দিনেই বরিশালকে ইনিংস ব্যবধানে হারিয়েছিল খুলনা। বাকি তিন ম্যাচ শেষ দিনে এসে ড্র হয়েছে। তিন ড্রয়ের দিনে ফিফটি করেই আলোটা নিজের দিকে টেনে নিয়েছেন রংপুরের অধিনায়ক আকবর আলী। তাঁর বীরত্বেই হার এড়িয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ইনিংসে ৩৪০ রান করার পর ঢাকাকে ২৮৪ রানে অলআউট করে লিড নিয়েছিল রংপুর। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং ধসে হারের শঙ্কায় পড়েছিল তারা। চরম বিপদে দলের ত্রাণকর্তা বনে যান আকবর।
দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৯ রানে গুটিয়ে যায় রংপুর। আরও কম রানে গুটিয়ে যেতে পারতো তারা। ৩০ রানেই ৪ উইকেট হারানো রংপুরের একপ্রান্ত আগলে রাখেন আকবর। সতীর্থদের আসা যাওয়ার মাঝে একা দাঁড়িয়ে খেলেন ৬৪ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭ রান এনে দেন চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান। ২০৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা ঢাকা কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯ রান করলে ম্যাচ ড্র হয়।
প্রথম ইনিংসে ৭০ রানে আউট হয়েছিলেন মাহফিজুল ইসলাম রবিন। দ্বিতীয় ইনিংসে নাঈম আহমেদের এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়ে যখন প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটছিলেন, তখন ময়মনসিংহের ওপেনারের নামের পাশে শোভা পাচ্ছিল ১০০ রান। ১১ বাউন্ডারিতে তাঁর ইনিংস সাজানো। সিলেটে প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের চেয়ে ১৬ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে খালিদ হাসানকে (৫৭) নিয়ে ১৪৮ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন রবিন। এ ছাড়া আব্দুল মজিদ ৮৭ ও আরিফুল ইসলামের ব্যাট থেকে আসে ৭২ রান। ড্র হওয়ার আগে ৬ উইকেটে ৩৭২ রান করে ময়মনসিংহ। ৬ উইকেটের পাঁচটাই নেন নাঈম।
চট্টগ্রামে প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের চেয়ে ২৯ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছিল রাজশাহী। ড্র হওয়ার আগে ৮ উইকেটে ২২৪ রান করে তারা। ৪৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে শেষ দিন ব্যাট করতে নামে রাজশাহী। সাব্বির ৫১, নাঈম আহমেদ ৪৭ ও প্রিতম কুমার করেন ৩৭ রান।