প্রথম ৫ ও ১০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ছিল ১৪/১ ও ৪০/২। আর লক্ষ্য তাড়ায় আসা অস্ট্রেলিয়ার স্কোর—৪৪/০ ও ৯৬/১। গতকাল ডারবানে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে দুই দলের দুরকম শুরুই ব্যবধান গড়ে দিয়েছে ম্যাচে। আর ২০ ওভার শেষে দুই দলের স্কোর ছিল—৯৩/৩ ও ১৪৬/৩। তখন কে ভাবতে পেরেছিল এই ম্যাচও হারবে অস্ট্রেলিয়া!
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে গতকাল ডারবানে ৬৭ রানে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। টসে হেরে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৯৭ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। লক্ষ্য তাড়ায় এসে অস্ট্রেলিয়া ৪১.২ ওভারে ২৩০ রানে অলআউট।
মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেড লক্ষ্য তাড়ায় দারুণ একটা সূচনা এনে দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়াকে। ৯০ রানে জুটি গড়েছিলেন তাঁরা। মার্শের বিদায়ে ভাঙে এই জুটি। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে হেডের সঙ্গে কুপার কনোলির ৩৯ রানের জুটি। এই জুটি ছিন্ন হলেই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে অস্ট্রেলিয়া। ওপেনার মার্শ ইনিংস সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৪ রানন করেন ম্যাট রেনশ। ২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন কেশভ মহারাজ।
এর আগে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ম্যাথু ব্রিটজকের সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটে ২৯৭ রান তোলে স্বাগতিকেরা। শুরুটা যদিও ভালো হয়নি ২৯ রানের মধ্যেই টনি ডি জর্জি (০) ও কুইন্টন ডি কককে (১৪) হারিয়ে ফেলে তারা। চারে নেমে দলের হাল ধরেন ব্রিটজকে। সেঞ্চুরি ছুঁয়ে ১০৬ বলে করেন ১১২ রান। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তাঁর দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। প্রথমটি ছিল অভিষেকেই রেকর্ড ১৫০ রানের ইনিংস।
১৪টি চার ও ২টি ছয়ে সাজানো ব্রিটজকের ইনিংসই গড়ে দেয় দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোরের ভিত। দ্রুতই ২ উইকেট পতনের পর টেম্বা বাভুমার সঙ্গে ৫৪, রায়ান রিকেলটনের সঙ্গে ৪২, ডেভিড মিলারের সঙ্গে ৪৩ ও মার্কো ইয়ানসেনের সঙ্গে ১০৭ রানের জুটি গড়েন ব্রিটজকে।
ব্রিটজকের সেঞ্চুরির বাইরে ৭৫ রান করেন ইয়ানসেন। ৫৯ বলে সাজানো তাঁর ইনিংসটিতে আছে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কা। বল হাতে সবচেয়ে সফল নাথান এলিস; ৫৭ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।