ক্যারিয়ারের সপ্তম টেস্ট খেলতে নেমে প্রথম ফিফটির দেখা পেলেন আব্দুল মালিক। অর্ধশতকের পর ক্রিজের অপরপ্রান্তে থাকা রহমত শাহ এগিয়ে এসে তাঁকে বুকে জড়িয়ে নেন। ডাগআউট থেকে সতীর্থ এবং কোচিং স্টাফরাও করতালি দিয়ে এই ব্যাটারকে স্বাগত জানান। মালিকের ফিফটির খুশিটাই হয়ে থাকল দ্বিতীয় সেশনে আফগানিস্তানের প্রতিচ্ছবি।
আবুধাবি টেস্টে বাংলাদেশের করা ৩৪৬ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশন শেষে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১৩১ রান। এই সেশনে সফরকারীদের ওপর আধিপত্য দেখিয়েছে আফগানরা।
রান তাড়ায় বাংলাদেশের ভুলে নতুন জীবন পেয়েও ভালো কিছু করতে পারেননি সাদিকুল্লাহ অতল। ১৭ রান করা এই ওপেনারকে তানজিদ হাসান তামিমের ক্যাচে পরিণত করেন হাসান মাহমুদ। ৩০ রানে প্রথম উইকেট হারানোর আফগানিস্তান ৩৪ রানে ১ উইকেট হারিয়ে লাঞ্চে যায়।
দ্বিতীয় সেশনেও ১ উইকেট হারিয়েছে আফগানিস্তান। এই সেশনে বাংলাদেশের প্রাপ্তি কেবল শহিদুল্লাহর উইকেট। ২ বাউন্ডারিতে ২০ রান করে ইবাদত হোসেনের বলে আউট হন তিনি। প্যাভিলিয়নের পথ ধরার আগে দ্বিতীয় উইকেটে মালিককে নিয়ে ৩৪ রান যোগ করেন শহিদুল্লাহ। সেশনের বাকিটা সময় হেসেখেলা পার কাটিয়েছে আফগানিস্তান। শহিদুল্লাহর বিদায়ের পর রহমতকে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন মালিক। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ইনিংস বড় করছেন তিনি।
প্রথম ফিফটি তুলে নেওয়া মালিক অপরাজিত আছেন ৬০ রানে। তাঁর সঙ্গে ৩৩ রান নিয়ে শেষ সেশনের খেলা শুরু করবেন রহমত। তৃতীয় উইকেটে নিরবচ্ছিন্ন ৬৭ রানের জুটি গড়েছেন দুজন। এই সেশনে ১ উইকেট হারিয়ে ৯৭ রান তুলেছে আফগানিস্তান। বাংলাদেশের চেয়ে এখনো ২১৫ রান পিছিয়ে আছে তারা।