হোম > খেলা > ক্রিকেট

লাঞ্চ বিরতির পর খেই হারাল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক    

দ্বিতীয় সেশনে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। ছবি: এসিবি

আবুধাবিতে প্রথম সেশনটা বাংলাদেশেরই ছিল। কিন্তু লাঞ্চ বিরতির পর খেলা শুরু হতেই খেই হারায় নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা বাংলাদেশের অর্ধেক ব্যাটার ড্রেসিংরুমে ফিরে গেছেন।

শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে আজ শুরু হওয়া টেস্টে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। ১০০-এর বেশি স্ট্রাইকরেটে ৮৩ রান করেন। তাঁর আক্রমণে আফগানরা শুরুতে এলোমেলো হলেও লাঞ্চ বিরতির পর ঘুরে দাঁড়াতে থাকে। চা পানের বিরতির আগ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ২২৬ রান করেছে বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন দাস শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নামবেন।

২৬ ওভারে ১ উইকেটে ১৩৪ রানে দ্বিতীয় সেশনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক সাবলীলভাবে এগোতে থাকেন। সাদমান তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম ফিফটি। তবে ফিফটির পর ইনিংস বেশিক্ষণ বড় করতে পারেননি। ৩৮তম ওভারের পঞ্চম বলে সাদমানকে ফেরান মোহাম্মদ সেলিম। পুল করতে গিয়ে স্কয়ার লেগে জিয়া উর রহমানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন সাদমান।

১১১ বলে ৭ চারে ৬৭ রান করেন সাদমান। চার নম্বরে নেমে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আক্রমণাত্মক শুরু করেন। প্রথম ৬ বলে করেন ১০ রান। যদিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্ট্রাইকরেট কমে যায় তাঁর। মুমিনুলের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে শান্ত গড়েন ৩৭ রানের জুটি। এই জুটি ভাঙতে মুমিনুলেরই দায় রয়েছে। ৩৮তম ওভারের পঞ্চম বলে ইয়ামিন আহমাদজাইয়ের স্লোয়ার বল কাভারে দাঁড়িয়ে থাকা আফগান অধিনায়ক রহমত শাহর হাতে তুলে দেন মুমিনুল।

বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ টেস্ট খেলা মুমিনুল ৭০ বলে ৪ চারে ৩৯ রান করে আউট হন। তিনি ফিরতেই তাদের ইনিংসে ছোটখাটো ধস নামে। ৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ৫ উইকেটে ২২৫ রান। যেখানে ইয়ামিনের অফ স্টাম্প বরাবর বল রং লাইনে খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান মুশফিকুর রহিম। ৭ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেনি মুশফিক। এটা তাঁর ১০৬তম টেস্ট।

শান্ত এরপর ৫১তম ওভারের চতুর্থ বলে কায়েস আহমেদকে ফ্রন্ট ফুটে ডিফেন্স করতে যান। এজ হওয়া বল প্রথম স্লিপে রহমানউল্লাহ গুরবাজ সহজেই তালুবন্দী করেন। গুরবাজ নেমেছেন বদলি হিসেবে। ৫২ ওভারে ৫ উইকেটে ২২৬ রানে দ্বিতীয় সেশনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ। লিটন ৭ বলে ৩ রানে অপরাজিত। মিরাজ এসে ৫ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি।