জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নাটকীয় এক উইকেটের জয় শুধু সিরিজে পূর্ণতা দেয়নি, আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতেও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। কঠিন পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত লড়াই করে ম্যাচ জেতার অভিজ্ঞতা বিশ্বকাপের মঞ্চে কাজে লাগবে বলে মনে করেন দলটির উইকেটরক্ষক ব্যাটার জশ ইংলিস।
হারারের তৃতীয় ওয়ানডেতে প্রথমে ব্যাট করে ২৭১ রান করে জিম্বাবুয়ে। লক্ষ্য তাড়ায় ২৪৫ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে বসেছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ এক উইকেটে ২৭ রান দরকার ছিল তাদের। ক্রিজে ছিলেন নাথান এলিস ও স্পেন্সার জনসন। শেষ পর্যন্ত এক বল বাকি থাকতে লক্ষ্য পেরিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে জিম্বাবুয়েকে ধবলধোলাই করল অস্ট্রেলিয়া। জয়ের ভিত গড়ে দেন ইংলিস। ১০২ বলে ১০৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ওয়ানডেতে এটি তাঁর দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ৪৫ রান বাকি থাকতে ইংলিস আউট হওয়ার পর অস্ট্রেলিয়াকে জয় এনে দেন এলিস ও জনসন। এলিস অপরাজিত থাকেন ৩৬ রানে।
ইংলিস মনে করেন, ভবিষ্যতে এমন কঠিন পরিস্থিতিতে আবারও পড়তে পারে অস্ট্রেলিয়া। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা আবারও এমন পরিস্থিতিতে পড়ব। বিশ্বকাপের ১২ মাস আগে আজ ছেলেরা যেভাবে এমন পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে, তাতে তাদের মনে ভালো একটা অনুভূতি থাকবে। পরেরবার এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে এগোতে হবে, সে সম্পর্কে তাদের ধারণাও আরও পরিষ্কার হবে।’
প্রথম দুই ম্যাচে ৪ ও ২১ রান করার পর তৃতীয় ম্যাচে সেঞ্চুরি করে ছন্দে ফেরেন ইংলিস। টি-টোয়েন্টিতে নিয়মিত খেলার কারণে ওয়ানডের ব্যাটিংয়ের গতি খুঁজে পেতে কিছুটা সময় লেগেছে বলেও জানান তিনি।
ইংলিস বলেন, ‘আমরা এখন অনেক টি টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলি। তাই ওয়ানডে ক্রিকেটের জন্য সঠিক গতিটা খুঁজে পাওয়াই আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আজ আমি সেটা খুঁজে পেয়েছি।’
তরুণদের নিয়ে গড়া অস্ট্রেলিয়া দলে চার নম্বরে ব্যাট করে বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন ইংলিস। ৩১ বছর বয়সী এই ব্যাটার বলেন, ‘কিছুটা ভিন্ন ভূমিকায় তরুণ একটি দলের সঙ্গে খেলছি। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সম্ভবত আমাকে আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে।’
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ শেষ করে এবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে অস্ট্রেলিয়া। বৃহস্পতিবার শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।