হোম > খেলা > ক্রিকেট

বাংলাদেশ ম্যাচ বাতিল হওয়ায় মালয়েশিয়ার ক্রিকেটারের খোঁচা

ক্রীড়া ডেস্ক    

বাংলাদেশ ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় হতাশ বিরানদ্বীপ সিং। ছবি: সংগৃহীত

জাপানের বৃষ্টি কেড়ে নিচ্ছে এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের একের পর এক ম্যাচ। বাদ যাচ্ছে না নকআউট পর্বের ম্যাচও। আজ বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কোয়ার্টার ফাইনালে হতে পারল না একটা বলও। ম্যাচ বাতিল হওয়ার পর শ্লেষাত্মক পোস্ট দিয়েছেন মালয়েশিয়ার ক্রিকেটার বিরানদ্বীপ সিং।

নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস ক্লাবে বাংলাদেশ সময় আজ সকাল ১১টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কোয়ার্টার ফাইনাল। কিন্তু মুষলধারে বৃষ্টির কারণে লিটন দাস-তাওহীদ হৃদয়দের মাঠে নামারই সুযোগ মিলল না। এই ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় হতাশায় পুড়ছেন বিরানদ্বীপ। তোয়ালে পরা অবস্থায় হাতে মোবাইল নিয়ে কী যেন করতে থাকেন মালয়েশিয়ার এই ক্রিকেটার। নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে সেই ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের বিপক্ষে আমাদের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি বাতিল হওয়ার সময় আমি তোয়ালে জড়িয়েই ছিলাম।দুঃখের বিষয় এটাই যে আমরা মাঠেই যেতে পারলাম না।’

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একবারই মুখোমুখি হয়েছে ২০২৩ সালে। সেবার টি-টোয়েন্টি সংস্করণে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের কোয়ার্টার ফাইনালে মালয়েশিয়াকে ২ রানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। তাছাড়া সহযোগী দেশ হওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মালয়েশিয়া কেবল টি-টোয়েন্টিই খেলছে। টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ১৩৩ ম্যাচ খেলে দলটি জিতেছে ৭৮ ম্যাচ। হেরেছে ৫০ ম্যাচ। টাই হয়েছে এক ম্যাচ। পরিত্যক্ত হয়েছে চার ম্যাচ।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ বাতিল হওয়ায় বিরানদ্বীপ যে কতটা হতাশ, সেটা তিনি তাঁর পোস্টে একের পর এক ইমোজিতে বুঝিয়ে দিয়েছেন। দীর্ঘদিন পর খেলার সুযোগ এলেও বৃষ্টির বাগড়ায় সেটা আর হলো কই! ফেসবুক পোস্টে ২৭ বছর বয়সী মালয়েশিয়ার অলরাউন্ডার লেখেন, ‘টেস্ট খেলুড়ে একটা দলের বিপক্ষে খেলার আরেকটা সুযোগের জন্য ৩ বছর অপেক্ষা করেছিলাম। কিন্তু সেটা হওয়ার ছিল না। সহযোগী দেশগুলোর ক্রিকেট সত্যিই কঠিন। হাহা।’

মালয়েশিয়ার ১৩৩ টি-টোয়েন্টির মধ্যে ১২৬ টি-টোয়েন্টিতে খেলার সুযোগ পেয়েছেন বিরানদ্বীপ। ৩৭ গড় ও ১২৭.৩৫ স্ট্রাইকরেটে করেন ৩৫১৫ রান। ১ সেঞ্চুরি ও ২৪ ফিফটি করেন। বোলিংয়ে ৫.৪২ ইকোনমিতে নিয়েছেন ১৩০ উইকেট। হাংঝুতে তিন বছর আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩৯ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় করেছিলেন ৫২ রান। ৪ ওভারে ১৩ রান দিলেও পাননি কোনো উইকেট। মালয়েশিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক, উইকেটশিকারী দুটি রেকর্ডই বিরানদ্বীপের।