অপেক্ষা ৪১ এ পা রাখার। এরপরও থামার নাম নেই ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। বয়স যেন তার কাছে নিছকই সংখ্যা মাত্র। জানালেন সহসাই ফুটবল ছাড়ার ভাবনা নেই তার। এক হাজার গোলের মাইলফলক স্পর্শ করে তবেই বুটজোড়া তুলে রাখতে চান সিআরসেভেন।
রোনালদোর গোলসংখ্যা ৯৪৬ টি। ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে হাজারতম গোলের মাইলফলক স্পর্শের জন্য আরও ৫৪ বার জালে বল পাঠাতে হবে পর্তুগিজ তারকাকে। বয়স বাড়লেও ফিটনেস ও ফর্ম আশা দেখাচ্ছে রোনালদোকে। এখনো মাঠে নামলে নিয়মিত গোলের দেখা পান। আল নাসর তারকার সবচেয়ে বড় শক্তি আত্মবিশ্বাস। যে আত্মবিশ্বাস তাকে নিয়ে গেছে ইতিহাসের সেরা ফুটবলারদের কাতারে।
প্রথমবারের মতো পর্তুগাল ফুটবল গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানে ‘প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণের পর নিজের লক্ষ্য নিয়ে রোনালদো বলেন, ‘আমার পরিবারের সদস্যরা বলে, ক্যারিয়ারে তুমি সবকিছু অর্জন করেছো। এখন তোমার থেমে যাওয়া উচিত। এখন আবার কেন এক হাজার গোলের পেছেন ছুঁটতে হবে? যদিও আমি তা মনে করি না। মাঠে আমি এখনো নিজের সেরাটা দিতে পারছি। ক্লাব কিংবা জাতীয় দল–সব জায়গা ভূমিকা রাখতে পারছি। তাহলে এখনই কেন আমাকে থামতে হবে।’
পূর্ণ তৃপ্তির সঙ্গেই ফুটবল ছাড়তে চান রোনালদো, ‘আমার বিশ্বাস, যেদিন আমি ফুটবলকে বিদায় বলব সেদিন নিশ্চিতভাবেই তৃপ্তি অনুভব করব। কারণ আমি সব সময়ই মাঠে নিজের সেরাটা দিয়ে গেছি। আমি হয়তো আর খুব বেশি বছর ফুটবল চালিয়ে যেতে পারব না। কিন্তু যতদিনই খেলব উপভোগ করেত চাই।’
দারুণ একটি ক্যারিয়ারের জন্য সকল সতীর্থদের প্রতি কৃতজ্ঞ পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী, ‘আমি আরও কয়েকটা বছর ফুটবল চালিয়ে যেতে চাই। তবে সেটা যে আর খুব বেশি বছর নয় সেটা বুঝতে পারছি। সকল সতীর্থদের আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই। কারণ সব সতীর্থের কাছ থেকেই কিছু না কিছু শিখেছি। তরুণ প্রজন্মের যাদের সতীর্থ হিসেবে পেয়েছি তাদের কাছ থেকেও শিখতে পেরেছি। তাদের সঙ্গে খেলতে পারাটা আমার জন্য সৌভাগ্যের।’