আগামী ডিসেম্বরে ৩৯ এ পা দেবেন আসিফ আফ্রিদি। এই বয়সে অনেক ক্রিকেটার ব্যাট–প্যাড, বল তুলে রেখে কোচিং, ধারাভাষ্য কিংবা অন্য কোনো পেশায় নিজেকে জড়িয়েছেন। সেই সময়ই কিনা অভিষেক হলো আসিফ আফ্রিদির!
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দলে জায়গা পেয়ে আলোচনার জন্ম দেন আফ্রিদি। লাহোর টেস্টের একাদশে জায়গা পাননি। অপেক্ষা ফুরাতেও বেশি সময় লাগল না তাঁর। রাওয়ালপিন্ডি টেস্ট দিয়ে পাকিস্তানের হয়ে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে অভিষেক হলো এই স্পিনারের। ৩৮ বছর ২৯৯ দিন বয়সে টেস্ট জার্সি গায়ে তুললেন তিনি।
পাকিস্তানের তৃতীয় সর্বোচ্চ বয়সী ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট অভিষেকের স্বাদ পেলেন আফ্রিদি। এই তালিকায় সবার উপরে আছেন মিরান বখশ। ১৯৫৫ সালের জানুয়ারিতে ৪৭ বছর ২৮৪ দিন বয়সে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল তাঁর। ১৯৫২ সালের অক্টোবরে ৪৪ বছর ৪৫ দিন বয়সে পাকিস্তানের হয়ে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল আমির এলাহির। দুই নম্বরে আছেন তিনি।
সেরা পাঁচের বাকি দুজন হলেন তাবিশ খান ও গুল মোহাম্মদ। ২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারেতে অভিষেকের সময় তাবিশের বয়স ছিল ৩৬ বছর ১৪৬ দিন। ১৯৫৬ সালে ৩৪ বছর ৩৬২ দিন বয়সে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাকিন্তানের সাদা জার্সি গায়ে তোলেন গুল। তাঁদের চেয়ে বেশ উপরেই আছেন আফ্রিদি।
পেশোয়ারে জন্ম নেওয়া আফ্রিদির প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক হয় ২০০৯ সালে; রাওয়ালপিন্ডির হয়ে আবোত্তাবাদের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত খেলা ৫৭ ম্যাচের ৯৫ ইনিংস বল করে ঝুলিতে পুরেছেন ১৯৮ উইকেট। ৫ উইকেট নিয়েছেন ১৩ বার। দুবার ১০ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্বও আছে এই লেফট আর্ম অর্থোডক্স স্পিনারের। ব্যাট হাতেও অবদান রাখতে পারেন আফ্রিদি। ১৯ গড়ে করেছেন ১৬৩০ রান।