টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে টানাপোড়েনে আছে ভারত। বাংলাদেশ বাদ পড়ার পর পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়েও আছে অনিশ্চয়তা। মাঠের বাইরে যা কিছুই হোক না কেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতিটা বেশ ভালোই হচ্ছে ভারতের। ২ ম্যাচ হাতে রেখেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নিয়েছে সূর্যকুমার যাদবের দল।
তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে ভারত। ৫ ম্যাচের সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিকেরা। সবশেষ ম্যাচে ব্ল্যাক ক্যাপদের কোনো পাত্তাই দেয়নি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। সূর্য ও অভিষেক শর্মার বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে মাত্র ১০ ওভারেই নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ১৫৪ রানের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।
বর্ষাপাড়ায় রান তাড়ায় ভারতের শুরুটা ভালো ছিল না। ইনিংসের প্রথম বলেই সাঞ্জু স্যামসনকে বোল্ড করে নিউজিল্যান্ডকে দারুণ সূচনা এনে দেন ম্যাট হেনরি। ভারতের ইনিংসে কিউইদের প্রাপ্তি বলতে এতটুকুই। এরপর মারকুটে ব্যাটিংয়ে দারুণ দুটি জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ইশান কিষান, অভিষেক, সূর্যরা। দ্বিতীয় উইকেটে অভিষেকের সঙ্গে ৫৩ রানের জুটি গড়ে ফেরেন ইশান। ইশ শোধির বলে মার্ক চ্যাপম্যানের হাতে ধরা পড়ার আগে ১৩ বলে ২৮ রান এনে দেন এই টপঅর্ডার। ৩ চার ও ২ ছক্কায় ইনিংস সাজান ইশান।
ইশানের বিদায়ের পর নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ওপর আরও চড়াও হন সূর্য ও অভিষেক। দারুণ সব স্ট্রোকে দিশেহারা হয়ে পড়ে কাইল জেমিসন, শোধি, মিচেল সান্টনার, গ্লেন ফিলিপসরা। ৬০ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত হয় ভারতের। তৃতীয় উইকেটে ১০২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন সূর্য ও অভিষেক। ২০ বলে ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন অভিষেক।
সূর্যের ব্যাট থেকে আসে ৫৭ রান। ৬ চার ও ৩ ছক্কায় সাজানো তাঁর ২৬ বলের ইনিংস। হেনরি ছাড়া ভারতের পতন হওয়া বাকি উইকেটটি নেন শোধি। নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খরুচে ছিলেন জ্যাকব ডাফি। ২ ওভারে ৩৮ রান দেন এই পেসার। এর আগে সফরকারীদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন ফিলিপস। চ্যাপম্যান ৩২ ও সান্টনারের অবদান ২৭ রান। ১৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ভারতের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল যশপ্রীত বুমরা। আগামী ২৮ জানুয়ারি সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড।