হোম > খেলা > ক্রিকেট

নিউজিল্যান্ডকে নিয়ে সতর্ক দক্ষিণ আফ্রিকা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

অনুশীলন শেষে ঘাম মুচছেন ডেভিড মিলার। এই ছবিই বলে দেয় সেমিফাইনালের আগে কতটা পরিশ্রম করেছে প্রোটিয়ারা। ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ আফ্রিকা-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে সেমিফাইনাল পর্ব শুরু হচ্ছে আজ। আগামীকাল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে ভারত।

এই দুই সেমিফাইনালে বিজয়ী কে—সেটা আগেভাগে ভাগেই বলে দিয়েছেন গ্লেন ম্যাকগ্রা। অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তির ফাইনাল বললেন, ‘ফাইনালের জন্য আমি দক্ষিণ আফ্রিকা আর ভারতকে বেছে নেব।’

সেমিফাইনালে কেন এই দুই দলকে বেছে নিয়েছেন, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ম্যাকগ্রা। তবে কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাই যে ফেবারিট, এটা একজন সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীও জানে। এই টুর্নামেন্টের এখন পর্যন্ত একমাত্র দল দক্ষিণ আফ্রিকা। শুরু থেকেই দুর্দান্ত এবং ধারাবাহিক খেলছে তারা। সে তুলনায় নিউজিল্যান্ড এখনো তাদের সেরাটা দেখাতে পারেনি। তার ওপর বিশ্বকাপে কখনোই দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। এই একটা তথ্যই সেমিফাইনালের আগে মানসিকভাবে এগিয়ে রাখে এইডেন মার্করাম-ডেভিড মিলারদের।

আইসিসির টি-টোয়েন্টি দলগত র‍্যাঙ্কিংয়ে যদিও পাঁচ নম্বরে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার ওপরেই অবস্থান নিউজিল্যান্ডের (৪)। কিন্তু এই সংস্করণে মুখোমুখি লড়াইয়ের রেকর্ডে এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাই। দুই দলের ১৯ সাক্ষাতে ১২ বার জিতেছে প্রোটিয়ারা। নিউজিল্যান্ড ৯ বার। আর বিশ্বকাপে তো দুই দলের লড়াই মানে তো কিউইদের চিরন্তন আক্ষেপের গল্প! আইসিসির এই বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। একবারও জিততে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ম্যাকগ্রার বিশ্বাস, এবারও পারবে না কিউইরা, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হলে নিউজিল্যান্ডের কিছু একটা হয়। দক্ষিণ আফ্রিকা সব সময়ই দাপটে জিতে যায়, আমি জানি না কেন এমন হয়।’ এবার গ্রুপ পর্বেও নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছিল প্রোটিয়ারা।

তবে আজকের সেমিফাইনালে মাঠে নামার আগে অতীত নিয়ে ভাবতে চান না দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। এটা নতুন একটা ম্যাচ, দুই দলই নতুন করে খেলবে। তাই আগের মুখোমুখি লড়াইয়ের ফলাফল এই ম্যাচ অর্থহীন মার্করামের কাছে, ‘একেবারে নতুন শুরু। গ্রুপ পর্বে তাদের বিপক্ষে আমরা ভালো খেলেছি, কিন্তু এরপর দুই দলই অনেক ক্রিকেট খেলেছে। আগামীকাল (আজ) পুরোপুরি নতুন করে শুরু হবে। সেমিফাইনাল হওয়ায় উত্তেজনাও বেশি। আগের ফল সহজে পুনরাবৃত্তি করা যাবে—এমনটা ভাবছি না। আমরা আবারও নিজেদের সেরাটা দিতে চাই।’

অতীতে ব্যর্থতার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকাকে ‘চোকার’ বলা হলেও এই টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক খেলে যাচ্ছে তারা। সুপার এইটে ভারতকে হারানোর পর তো অনেকের কাছে তারাই ফেবারিট। এ নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে মার্করাম বললেন, ‘ফেভারিট কি না, সেটা অন্যদের মতামত। আমরা শুধু ভালো ক্রিকেট খেলায় মন দিই এবং গত ১৮ মাস ধরে যে আক্রমণাত্মক ধারা ধরে রেখেছি, সেটাই বজায় রাখতে চাই।’

দল হিসেবে খেলাটাকেই নিজেদের বড় শক্তি বলে মনে করেন মার্করাম, ‘দলে সিনিয়ররা আমাদের বড় ভরসা। দ্বিধাদ্বন্দ্বের সময়ে তারা দিকনির্দেশনা দেয়। শক্ত একটি দলগত সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে বলেই এই সাফল্য এসেছে।’

বাংলাদেশের বিপক্ষে নতুন অধ্যায় শুরু করবেন সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক

‘সাকিব ভাই থাকলে দলের কম্বিনেশন ভালো হয়’

শুরুর আগেই বিশ্বকাপ শেষ রদ্রিগোর, পাশে পেলেন নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের

বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে মাথাব্যথা নেই ট্রাম্পের

ভারতীয় দর্শকদের চুপ করিয়ে দিতে চায় ইংল্যান্ড

সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েও গর্ব হচ্ছে বার্সা কোচের

দুবাইয়ে বাংকার বানিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন ইংলিশ ফুটবলার

পাকিস্তানের সাবেক আম্পায়ারের পিসিবির চাকরি ছাড়ার কারণ তাহলে এই

শান্তদের হারিয়ে চার বছর পর চ্যাম্পিয়ন মধ্যাঞ্চল

‘এটাই হতো আমার জীবনের সেরা গোল’, ঋতুপর্ণার আফসোস