আগামী সেপ্টেম্বরে জিম্বাবুয়ের মাঠে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। এর মাধ্যমে দীর্ঘ আট বছর পর আফ্রিকান দেশটিতে দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে যাচ্ছে ক্রিকেটের পরাশক্তিরা। আজ অজিদের জিম্বাবুয়ে সফরের সূচি চূড়ান্ত হয়েছে।
এর আগে সবশেষ ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়েতে খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। সেবার পাকিস্তানকে নিয়ে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছিল তারা। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ের মাঠে সবশেষ ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে ২০১৪ সালে। সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। যেখানে ২৩ রানে হেরে যায় দলটি। মুলত এই হারেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের ঘোর শঙ্কায় পড়ে যায় একবারের চ্যাম্পিয়নরা। শেষ পর্যন্ত আর পরের পর্বে উঠতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।
জিম্বাবুয়েতে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচগুলো হবে ১৫, ১৮ ও ২০ সেপ্টেম্বর। সবগুলো ম্যাচের ভেন্যু হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠ। ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ সামনে রেখে সিরিজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে প্যাট কামিন্স, মিচেল মার্শদের জন্য। দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নামিবিয়ার সঙ্গে পরবর্তী বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক জিম্বাবুয়ে। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে জিম্বাবুয়ে সফর তাই বিশ্বকাপের আগে মানিয়ে নিতে বেশ কার্যকরী হবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য।
জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গিভেমোর মাকোনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়াকে আবার জিম্বাবুয়েতে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত। এটি একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজ হবে বলে আশা করছি। এমন সিরিজ আমাদের দলের উন্নতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মাটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট উপভোগ করার এটি দারুণ সুযোগ। আমরা আশা করছি হারারে স্পোর্টস ক্লাবে দর্শকদের শক্ত সমর্থন পাব।’
এদিকে, চলতি বছরের জুন ও অক্টোবরে বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানকেও আতিথ্য দেওয়ার পরিকল্পনা করছে জিম্বাবুয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছাকাছি অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে সফররত দলগুলোকে জিম্বাবুয়েতে ম্যাচ খেলার জন্য উৎসাহিত করছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। শুধু সীমিত ওভারের ক্রিকেট নয়—টেস্ট ক্রিকেটেও জোর দিচ্ছে জিম্বাবুয়ে। আগামী বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে আরও বেশি টেস্ট সিরিজ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।