হোম > রাজনীতি

নির্বাচনের পাঁচ মাস পরও আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হয়নি, বেড়েছে মব-চাঁদাবাজি: সিপিবি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার একের পর এক জাতীয় স্বার্থ ও জনস্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, এর মাধ্যমে এই সরকারের গণবিরোধী চরিত্র ক্রমেই উন্মোচিত হচ্ছে।

রাজধানীর পুরানা পল্টনের মুক্তি ভবনে সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ বৃহস্পতিবার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির দুই দিনব্যাপী সভার রাজনৈতিক প্রস্তাব ও প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়।

সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন।

রাজনৈতিক প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাঁচ মাস পরও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি; বরং সন্ত্রাস, মব সহিংসতা, চাঁদাবাজি, নারী-শিশু নির্যাতন ও রাজনৈতিক সংঘর্ষ বেড়ে জননিরাপত্তাহীনতা আরও প্রকট হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, বিএনপির ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচি ও নির্বাচনী ইশতেহারে রাষ্ট্রায়ত্ত সম্পদ বেসরকারি মালিকদের কাছে বিক্রি বা হস্তান্তরের কোনো অঙ্গীকার ছিল না। কিন্তু সরকার ক্ষমতায় এসে ইস্পাত, বস্ত্র, রাসায়নিক, চিনি, খাদ্য ও পাট খাতের পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত করপোরেশনের অধীন ৪৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জাতীয় সংসদের বিরোধী জোট সরকারের জাতীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে সহযোগীর ভূমিকা পালন করছে। একই সঙ্গে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

সভায় বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমান সরকার উভয়ই রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। সাংবিধানিক, প্রশাসনিক, বিচার বিভাগ, নির্বাচনব্যবস্থা, শ্রম, নারী ও দুর্নীতি দমনসহ বিভিন্ন খাতে একাধিক সংস্কার কমিশন গঠন করা হলেও শাসনব্যবস্থায় কোনো গুণগত পরিবর্তন আসেনি।

সিপিবির নেতারা বলেন, এত প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে মানুষের প্রাণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা ব্যর্থ হয়েছে।

সভায় বক্তব্য দেন সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, রফিকুজ্জামান লায়েক, এস এ রশীদ, রাগিব আহসান মুন্না, জলি তালুকদার, আমিনুল ফরিদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাহ আলম, রুহিন হোসেন প্রিন্স, মিহির ঘোষ, লক্ষ্মী চক্রবর্তী, অনিরুদ্ধ দাশ অঞ্জন, অধ্যাপক এম এম আকাশ, মৃণাল চৌধুরী, দিবালোক সিংহসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন বলেই ইশরাক পদত্যাগ করেছেন: শফিকুর রহমান

জুলাই ধারণ না করায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করছে না সরকার: গোলাম পরওয়ার

মামলা দেন আমার নামে, নিজে সারেন্ডার করে জেলে যাব: নাহিদকে ইশরাক

বিএনপির দুর্গাপূজা পর্যবেক্ষণ কমিটির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে সব সম্প্রদায়ের স্থান সংরক্ষিত: রিজভী

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের ব্যর্থতায় ইশরাককে অস্ত্র হাতে নিতে হয়েছে: আখতার হোসেন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার বলি হতে হবে ইশরাকদের: হাসনাত আবদুল্লাহর ফেসবুক পোস্ট

দলকে বিব্রত না করতেই পদত্যাগ, মেয়র নির্বাচন করতে প্রস্তুত: ইশরাক হোসেন

প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছি: ইশরাক হোসেন