হোম > রাজনীতি

এনসিপির সাংগঠনিক কাঠামো পরিবর্তন, হাসনাত ও সারজিসদের পদোন্নতি

• পুনর্গঠিত কমিটি ১৯৫ সদস্যের, আগের আহ্বায়ক কমিটি ছিল ২১৭ সদস্যের।

• মুখ্য সমন্বয়ক, দুই মুখ্য সংগঠক, মুখপাত্রসহ সাতটি পদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

• সামান্তা শারমিন ও আরিফুল ইসলাম আদীবের পদাবনতি, তাঁরা যুগ্ম আহ্বায়ক।

• শেরেবাংলার নাতনি ফ্লোরা, বিএনপির বহিষ্কৃত ইসহাক সরকারও যুগ্ম আহ্বায়ক।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম। ফাইল ছবি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাংগঠনিক কাঠামোতে পরিবর্তন এনে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার ১৯৫ সদস্যের পুনর্গঠিত কমিটির তালিকা প্রকাশ করেছে দলটি।

পুনর্গঠিত কমিটিতে নাহিদ ইসলাম ও আখতার হোসেন যথাক্রমে আগের মতোই আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব রয়েছেন। সাতটি পদ বিলুপ্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো মুখ্য সমন্বয়ক, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল), মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল), মুখপাত্র, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক, সংগঠক ও যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক।

আগের কমিটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহকে পদোন্নতি দিয়ে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক এবং মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম ও মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে পদোন্নতি দিয়ে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব করা হয়েছে। তবে আগের কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও আরিফুল ইসলাম আদীবের পদাবনতি হয়েছে। পুনর্গঠিত কমিটিতে তাঁদের যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। আগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদকে এই কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব নাহিদা সারোয়ার নিভাকে যুগ্ম সদস্যসচিব করা হয়েছে।

এনসিপির দপ্তর সেল সম্পাদক সাদিয়া ফারজানা দিনার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে পুনর্গঠিত এই কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়। কমিটিতে আগের মতো দুজন করে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব রয়েছেন। পুনর্গঠিত কমিটিতে বিলুপ্ত করা অপর দুটি পদ—উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক পদে ৪২ জন এবং যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক পদে ২৩ জন ছিলেন।

পুনর্গঠিত কমিটিতে ২৪ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক ও ছয়জনকে যুগ্ম সদস্যসচিব করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩২টি সম্পাদকীয় পদে ৩২ জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে এক বা দুজন করে সহসম্পাদক রাখা হয়েছে। এর বাইরে কমিটিতে ১৯ জন সহসম্পাদক রয়েছেন। ৫৮ জনকে কমিটিতে সদস্য করা হয়েছে। এ ছাড়া ১১ জনকে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকা তরুণেরা ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এনসিপি গঠন করেন। তখন ২১৭ সদস্যের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরে বিভিন্ন সময়ে এই কমিটির কেউ কেউ পদত্যাগ করেন। কেউ আবার দলে থেকেও নিষ্ক্রিয় হয়ে যান। সবচেয়ে বড় পদত্যাগের ঘটনা ঘটে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট বাঁধার সিদ্ধান্তের পর। সে সময় তাসনিম জারা, আরিফ সোহেলসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কয়েকজন নেতা দল ছাড়ার ঘোষণা দেন। সামান্তা শারমিন ও নাহিদা সারোয়ার নিভা দলে থাকলেও নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন।

পুনর্গঠিত কমিটিতে গত এপ্রিলে এনসিপিতে যোগ দেওয়া শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি এ কে ফ্লোরা ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার (তিনি এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণেরও আহ্বায়ক) যুগ্ম আহ্বায়কের পদ পেয়েছেন। জাতীয় পার্টির (জাপা) সাবেক উপদেষ্টা তারেক এ আদেলকেও যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে।

একই সঙ্গে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদেরও তালিকা প্রকাশ করেছে এনসিপি। এই পর্ষদের সদস্যরা হলেন নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, আবদুল্লাহ আল আমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, আতিকুর রহমান মোজাহিদ, আবদুল হান্নান মাসউদ, আলী আহসান জুনায়েদ, সারোয়ার তুষার, আকরাম হুসাইন, সালেহউদ্দিন সিফাত, মাহমুদা আলম মিতু ও নুসরাত তাবাসসুম।

সামান্তা শারমিন ও নাহিদা সারোয়ার নিভা আগে এই রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য ছিলেন। তবে গত বছরের ডিসেম্বরের পর ভিন্ন সময়ে তাঁরা এই পর্ষদ থেকে পদত্যাগ করেন বলে আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন।

৩০ অক্টোবর গণবিক্ষোভের ডাক, স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি এনসিপির

সরকারের আচরণে মনে হচ্ছে ‘ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি’: জামায়াত নেতা আযাদ

জনগণের ভোট ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে: শফিকুর রহমান

এনসিপির পুনর্গঠিত আহ্বায়ক কমিটি প্রকাশ, কে কোন পদ পেলেন

হেফাজতের নেতৃত্বে ৭ দলের নতুন জোট, ৩ দল আছে অন্য জোটেও

নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করবেন না—সরকারকে বিরোধীদলীয় নেতা

আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই: হাফিজ উদ্দিন

অসুস্থ দুই মন্ত্রীকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন রিজভী ও জাহিদ

আসামে বাড়ি-মসজিদ উচ্ছেদে নাহিদ ইসলামের নিন্দা

‘প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ উদ্বেগজনক’, বিরোধী দলের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা চায় ইসলামী আন্দোলন