হোম > রাজনীতি

হেফাজতের নেতৃত্বে ৭ দলের নতুন জোট, ৩ দল আছে অন্য জোটেও

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতৃত্বে সাতটি রাজনৈতিক দল মিলে নতুন জোট গঠন করেছে। তবে এর মধ্যে তিনটি দলই বিএনপি ও জামায়াত জোটে রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলগাঁওয়ে মাখজানুল উলুম মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব সাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠক করেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। বৈঠকে তাঁরা ‘সমমনা ইসলামী দলসমূহ’ নামে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ‘সমমনা ইসলামী দলসমূহ’ ব্যানারে এই জোট স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সমঝোতার ভিত্তিতে অংশ নেবে কি না—এমন আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। তবে তিনটি দল অন্য রাজনৈতিক জোটে থাকায় এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ ছাড়া অভিন্ন ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়েও আলোচনা হয়। কর্মপন্থা-নীতিমালাসহ সার্বিক বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনার জন্য আগামী ৫ ডিসেম্বর আবারও জোটের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে।

জোটের সাতটি দল হলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। এর মধ্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বিএনপি জোটে রয়েছে এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও নেজামে ইসলাম পার্টি রয়েছে জামায়াত জোটে।

বিএনপি জোট ছাড়তে রাজি জমিয়ত

বিএনপি জোটে থাকার পরও নতুন জোটে অংশ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে আমরা জোট ছাড়িনি। আমরা বিএনপি জোটেও আছি, নতুন এই জোটেও আছি। তবে নতুন জোটের নীতিমালায় যদি চূড়ান্ত হয়—অন্য কোনো জোটে থাকা যাবে না, তাহলে আমরা রাজি আছি।’

দুটি রাজনৈতিক জোটে একসঙ্গে সমন্বয় কীভাবে করা হবে—জানতে চাইলে জমিয়তের এই নেতা বলেন, ‘সবে শুরু হলো। কিছুদিন দেখি, আমরা সাতটি ইসলামি দল যদি ঐক্যবদ্ধ পথচলা নিশ্চিত করতে পারি, এটাই আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য। সে ক্ষেত্রে যদি অন্য জোটের সঙ্গে থাকা বাধা হয়, আমরা সেই বাধা অপসারণ করব।’

দুই জোটেই থাকতে চায় বাংলাদেশ খেলাফত ও নেজামে ইসলাম পার্টি

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও নেজামে ইসলাম পার্টি জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের অন্যতম শরিক। তবে দল দুটি জামায়াত জোট ত্যাগ না করেই নতুন এই জোটে থাকতে চায় বলে জানিয়েছেন দল দুটির শীর্ষ নেতারা।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, ‘১১ দলীয় জোটে আমরা একটা বিশেষ প্রয়োজনে আছি। জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, যে আশা নিয়ে এতগুলো মানুষ জীবন দিল, অঙ্গহানি হলো, এই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন অর্থাৎ গণভোটের গণরায় এবং বাস্তবায়ন পর্যন্ত তো এই জোটের বিকল্প নাই। যত দিন ১১ দলীয় জোটের প্রয়োজন আছে, তত দিন আমরা ওই জোটে থাকব।’

এ বিষয়ে নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহারের বক্তব্যও প্রায় একই রকম পাওয়া গেছে। তিনি জানান, তাঁরা দুটি জোটেই আছেন।

নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করবেন না—সরকারকে বিরোধীদলীয় নেতা

আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই: হাফিজ উদ্দিন

অসুস্থ দুই মন্ত্রীকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন রিজভী ও জাহিদ

আসামে বাড়ি-মসজিদ উচ্ছেদে নাহিদ ইসলামের নিন্দা

‘প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ উদ্বেগজনক’, বিরোধী দলের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা চায় ইসলামী আন্দোলন

আমাদের কাছে তথ্য আছে—দিল্লির সঙ্গে আপনাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ: প্রধানমন্ত্রীকে পরওয়ার

প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন বলেই ইশরাক পদত্যাগ করেছেন: শফিকুর রহমান

জুলাই ধারণ না করায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করছে না সরকার: গোলাম পরওয়ার

মামলা দেন আমার নামে, নিজে সারেন্ডার করে জেলে যাব: নাহিদকে ইশরাক

বিএনপির দুর্গাপূজা পর্যবেক্ষণ কমিটির পূজামণ্ডপ পরিদর্শন