প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাবা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখননকাজের উদ্বোধন করেছেন। আজ ঢাকা থেকে কক্সবাজার পৌঁছানোর পর বেলা পৌনে ১১টার দিকে সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে খাল পুনঃখননকাজের তিনি উদ্বোধন করেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যেই সকালে ফ্লাইট থেকে নামেন। সেখান থেকে সড়কপথে পিএমখালীতে আসেন। বৃষ্টির মধ্যেই নিজের হাতে কোদাল দিয়ে পাতলী খাল পুনঃখননকাজ শুরু করেন। পরে তিনি খালের পাড়ে একটি খেজুরগাছের চারা রোপণ করেন।
পুনঃখনন উপলক্ষে খালের পাড়ে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করেই পাতলী গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ সমবেত হন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেখতে সকাল থেকে বৃষ্টির মধ্যেই ছাতা মাথায় অপেক্ষায় ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী এসে পৌঁছালে খালপাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা গ্রামবাসী তাঁকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। তাঁদের চোখেমুখে ছিল উচ্ছ্বাস। এ সময় তাঁরা স্লোগান ধরেন—‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম।'
খাল খননের সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বেসরকারি বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল ও চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান।
উল্লেখ্য, ঐতিহাসিক পাতলী খাল আট কিলোমিটার দীর্ঘ। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পিএমখালীতে এসে ৪৮ বছর আগে ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে নিজের হাতে কোদাল দিয়ে পাতলী খাল খননকাজের সূচনা করেছিলেন। সেই সময়ে প্রেসিডেন্ট খালের পাড়ে একটি খেজুরগাছও রোপণ করেন। এটি আজ ৪৮ বছর পরও কালের সাক্ষী হয়ে বেঁচে আছে।
এই খাল পুনঃখননে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ উপকৃত হবে বলে জানান পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় প্রকৌশলীরা।