বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এই নেতা জুলাই ছাত্র আন্দোলন ও গণ–অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশের বাইরে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।
অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন, ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সেই অর্থ বৈধ করার চেষ্টা এবং বিদেশে অর্থ পাচার করে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বৃহষ্পতিবার (১ অক্টোবর) দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, সিদ্দিকী নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূতভাবে অর্থ উপার্জনের অভিযোগ রয়েছে। পরে নিজের ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচালিত ব্যাংক হিসাবে ওই অর্থ স্থানান্তর করে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। এ ছাড়া বিদেশে অর্থ পাচার করে সম্পদ অর্জনের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
এসব অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে চলতি বছরে ১৬ ফেব্রুয়ারি নাজমুল আলমের বিদেশ গমন রহিত করতে কমিশনে সুপারিশ করেন দুদকের কর্মকর্তা। তবে কমিশন না থাকায় প্রায় সাড়ে সাত মাস পর তাঁর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।