সংযোগ ও ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাকে সহায়তা করতে বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে দশ বছরের একটি কৌশলগত পার্টনারশিপ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ পুলিশের অফিশিয়াল মোবাইল নম্বর সিরিজ (০১৩২০০০০০০০–০১৩২০২৯৯৯৯৯) এবং অফিশিয়াল ও সলিউশন-ভিত্তিক নম্বরগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সংযোগ সেবা প্রদান করবে অপারেটরটি। এ ছাড়া অনলাইন জিডি এবং ক্রাইম ডেটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (সিডিএমএস) মতো প্রধান ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য সংযোগ ও সংশ্লিষ্ট সহায়তাও এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত।
বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (হেডকোয়ার্টার্স) মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন এবং গ্রামীণফোনের হেড অব ল এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিজ বিজনেস হেলাল উদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি ঢাকায় বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন। এ সময় বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এবং গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের চিফ বিজনেস অফিসার আসিফ নাইমুর রশীদ, চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার সৈয়দা তাহিয়া হোসেন এবং বাংলাদেশ পুলিশ ও গ্রামীণফোনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘দেশজুড়ে জনগণের সেবা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও কল্যাণে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ পুলিশ। আমাদের কাজ ও জনগণকে সেবা দেওয়ার ধরন যেভাবে প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে, সেভাবে নির্ভরযোগ্য সংযোগ ও প্রযুক্তিও দিন দিন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। গ্রামীণফোনের সঙ্গে এই পার্টনারশিপ আমাদের যোগাযোগ ও ডিজিটাল সেবার চাহিদা মেটাতে সহায়ক হবে। আরও উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিভিত্তিক পুলিশিং জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশায় রয়েছি আমরা।’
গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, ‘এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ পুলিশের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য সংযোগ এবং প্রয়োজনীয় ডিজিটাল সক্ষমতা দিয়ে তাদের সহায়তা করা। এই চুক্তিটি ভবিষ্যতে উদীয়মান প্রযুক্তিগুলোকে কীভাবে আরও সুসংহত ও দক্ষ পরিচালনায় কাজে লাগানো যায় তা বোঝার সুযোগ তৈরি করে দেবে। আমরা বিশ্বাস করি, প্রযুক্তি যখন দায়িত্বশীলভাবে এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে কাজে লাগানো হয় তখন তা সবচেয়ে বেশি ফলপ্রসূ হয়। আমাদের সক্ষমতা দিয়ে একটি নিরাপদ ও আরও স্মার্ট আগামী গড়তে অবদান রাখার প্রত্যাশায় রয়েছি আমরা।’