প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন অনিবার্য চরিত্র। আজ শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত বিএনপির স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এর আগেও আমি দু-একটি কথা আপনাদের বলেছিলাম...অতীত নিয়ে সব সময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ আর অতীতকে যদি আমরা ভুলে যাই, আমাদের দুই চোখ অন্ধ; একদম ভুলে যাব না, ভুলে যাওয়া চলবে না; ঠিক একইভাবে অতীতেও আমরা দেখেছি—অতীত নিয়ে এত বেশি চর্চা হয়েছে, যেটা আমাদের ভবিষ্যৎকে বাধাগ্রস্ত করেছে।’
স্বাধীনতা ও দেশের জন্য জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধানীতা এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অনিবার্য চরিত্র শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আমরা দেখেছি, অতীতে যেভাবে শহীদ জিয়াউর রহমানকে, তাঁর অবদানকে, তাঁর কাজকে খাটো করার চেষ্টা করা হয়েছে, এর থেকে প্রমাণিত হয়েছে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অবশ্যই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন অনিবার্য চরিত্র।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ জিয়াউর রহমান কিন্তু হঠাৎ করেই স্বাধীনতার ঘোষণাটি দেননি। শহীদ জিয়া প্রথম জীবনে অবশ্যই একজন রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন না, তিনি একজন সামরিক সৈনিক ছিলেন, তবে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার যে স্বপ্ন, সেটি যে তাঁর মনের মধ্যে সেই বোধশক্তির পর থেকে লালন করতেন, এটি কিন্তু তাঁর একটি লেখায় ফুটে উঠেছে...একটি স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য যে তাঁর দীর্ঘ মানসিক প্রস্তুতি ছিল, সেটি আমরা তাঁর একটি লেখা থেকে পরিষ্কারভাবে বুঝতে পেরেছি। কথাগুলো আমার নয়, কথাগুলো কারও মনগড়া নয়, এই কথাগুলো আমরা তাঁর নিজের লেখা থেকে জানতে পেরেছি।’
স্বাধীনতা দিবসের এই আলোচনা সভায় বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ।