১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আগে-পরে সাত দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ প্রতিরোধে সারা দেশে ১ হাজার ৫১ জন কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি তাঁদের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষমতা দিয়েছে সরকার।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার এসব কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পর তাঁদের বিভিন্ন মহানগর ও জেলায় ন্যস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে বিশেষ করে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সঙ্গে দায়িত্বপালনের লক্ষ্যে নির্বাচনী এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ প্রতিরোধ কার্যক্রম-সংক্রান্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য ১ হাজার ৫১ জনকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তাঁদের নামের পাশে উল্লিখিত জেলা বা অধিক্ষেত্রে ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।
রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় নিয়োগ পাওয়া ম্যাজিস্ট্রেটদের ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় এবং খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে নিয়োগ পাওয়াদের দুপুর আড়াইটায় অনলাইনে আবশ্যিকভাবে প্রশিক্ষণ নিতে হবে। জুম মিটিংয়ের আইডি ও পাসওয়ার্ড সংশ্লিষ্টদের মোবাইল ও ই-মেইলে পাঠানো হবে।
নিয়োগপ্রাপ্তদের ৭ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবশ্যিকভাবে যোগদান বা রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাকে তাঁর অধিক্ষেত্রে যোগ দেওয়া ম্যাজিস্ট্রেটের যোগদান-সংক্রান্ত প্রতিবেদন ৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটদের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব বণ্টন করে দেবেন।
নতুন নিয়োগ পাওয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত কেরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার তথ্য নির্ধারিত ছকে প্রতিদিন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।