২০৩০ সালের মধ্যে শুধু সোলার পাওয়ার দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ জন্য একটি নীতিমালা এবং বিনিয়োগ সহযোগীকরণ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন।
রাতে সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে শুধু সোলার পাওয়ার দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির নীতিমালা ২০২৫ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক প্রকল্পে বিনিয়োগ সহযোগীকরণ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে সরকার শুধু সোলার পাওয়ার দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ জন্য সরকারি যেসব জমি রয়েছে, সেগুলো ব্যবহার করা হবে। বেসরকারি উদ্যোক্তারা যদি চান, তাঁরাও এতে কাজ করতে পারবেন। এটার জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় একটি কমিটির খসড়া করেছে। খসড়াটি চূড়ান্ত অনুমোদন করে হয়তো কয়েক দিনের মধ্যে কাজ শুরু করবে। প্রয়োজনে আইন তৈরি করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটি চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নীতিমালাটি সহজীকরণের জন্য বিদ্যমান যে নীতিমালাগুলো আছে, তা দেখা হয়েছে।
এটি কি পুরোটা সরকারি নাকি বেসরকারি খাতের হবে, সেই প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বেসরকারি। সরকারের অংশগ্রহণ ও সাপোর্ট থাকবে, তবে বেসরকারি উদ্যোগে হবে।
সোলার নিয়ে আগের প্রকল্প খুব কার্যকর ছিল না জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রকৃত কাজ হচ্ছিল না। এ জন্য পুরোটা পর্যালোচনা করা হয়েছে।
জ্বালানি সংকট সমাধানে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে—এমন প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এগুলো মোকাবিলার চেষ্টা করা হচ্ছে। সরবরাহ স্মুথের চেষ্টা করা হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে জ্বালানি তেল উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে। এখন প্রত্যেকের মধ্যে ব্যবসা করার মনোবৃত্তি তৈরি হয়েছে।