বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের সুপারিশ করেছে অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। আজ বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।
সংসদ সচিবালয়ে থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটিতে বাংলাদেশের চুরি হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার সম্পর্কে আলোচনা এবং পরবর্তী পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে।
বৈঠকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলো তাদের আর্থিক ক্ষতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বিদেশে পাচারকৃত সম্পদ, ব্যবসায়িক স্বার্থ, বিনিয়োগ, ব্যাংক হিসাব এবং অন্যান্য সম্পদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং বিদেশে থাকা সম্পদ শনাক্ত ও পুনরুদ্ধারের কার্যক্রম পরিচালনা করছে মর্মে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
বৈঠকে আরও জানানো হয়, অপরাধীদের অবৈধ সম্পদের উৎস, অর্থপাচারের পদ্ধতি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা এবং অপরাধের সঙ্গে সম্পদের সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত আছে। জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লট, ব্যাংক হিসাব, কোম্পানির শেয়ার, বিও হিসাব, ব্যবসায়িক স্বার্থ, ট্রাস্ট এবং বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ তহবিল ইত্যাদি নিয়ে জয়েন্ট ইনভেস্টিগেশন টিম পাচার ও অবৈধ সম্পদ স্থানান্তর মামলার কাজ করছে।
বিদেশে পলায়ন বা তাদের সম্পদ স্থানান্তর প্রতিরোধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ, অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলায় ইন্টারপোলে রেড নোটিশ অনুরোধ পাঠানোর পাশাপাশি পাচারকৃত অর্থ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য কমিটি সুপারিশ করে।
কমিটির সভাপতির অনুপস্থিতিতে কমিটির সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর সভাপতিত্বে আরও অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য মো. সেলিম রেজা, মো. আব্দুল আজিজ, মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার, মো. রফিকুল ইসলাম খান এবং মো. মাসুদ পারভেজ।