বিএনপির সংসদীয় দলের সভা
দলের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, দখলদারিসহ কোনো ধরনের অপকর্মে জড়ালে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে কঠোর বার্তা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দলের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদেরও শৃঙ্খলার মধ্যে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে জনগণের কাছে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং মানুষের সমস্যা সমাধানে সক্রিয় হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনে বিএনপির সংসদীয় দলের বিশেষ সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্য এ তথ্য জানিয়েছেন। বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ আর হতাশা প্রকাশ করার কথাও জানান তাঁরা।
সভায় সংসদ সদস্যরা অভিযোগ করেন, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা তাঁদের সব সময় সহায়তা করছেন না। এমপিদের নামে যেসব বরাদ্দ আসে, সেসব বিষয়ে অবহিত না করে নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নেন। কোনো বরাদ্দে তাঁরা (এমপি) তালিকা দিয়ে সুপারিশ করলে সেসবেও ঠিকমতো পাত্তা দেন না।
সংসদের পরবর্তী অধিবেশনের দিনক্ষণের আগে রোববার হঠাৎ করেই জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সভাকক্ষে এ সংসদীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যা ছয়টা ২০ মিনিটে শুরু হয়ে রাত নয়টায় শেষ হয় সভা। সভায় অনেক এমপি অভিযোগ করেন, স্থানীয় প্রশাসন তাঁদের ঠিকভাবে সহায়তা না করায় তাঁরা কাজ করতে পারছেন না। এতে জনসম্পৃক্তমূলক কর্মকাণ্ড থেকে অনেকটা পিছিয়ে পড়ছেন। ফলে সরকারের অনেক উন্নয়নমূলক কাজ সম্পর্কে জনগণ ঠিকমতো অবহিত হতে পারছেন না।
সভায় এমপিদের বক্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নানান বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। তিনি এমপিদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা এমপি হয়েছেন, মন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু দলকে, সংগঠনকে ভুলে যাবেন না। এই সংগঠনের মধ্য দিয়েই আজকে আপনাদের পরিচিতি হয়েছে। দলের নেতা-কর্মীদের ত্যাগের বিনিময়েই আপনারা আজ এই পর্যন্ত আসতে পেরেছেন। তাই কোনোভাবেই তাঁদের ভুলবেন না। তাঁদের পাশে রাখুন, সংগঠনকে শক্তিশালী করুন।
এমপি, মন্ত্রীদের এলাকায় যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা নিজ এলাকায় যান। জনগণের সঙ্গে মিশুন। তাঁদের সুখ-দুঃখ সম্পর্কে জানুন। তাঁদের কষ্টের কথা শুনুন। সর্বোচ্চটুকু দিয়ে তা সমাধানের চেষ্টা করুন। জনগণ থেকে দুরে সরে আসলে নিজেদেরই ক্ষতি। আপনাদের রাজনীতি থাকবে না।
এমপিসহ দলের নেতা-কর্মীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় থাকার নির্দেশনা দেন তারেক রহমান।
কয়েকজন এমপি তাদের বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বটবাহিনীর অপপ্রচার নিয়ে কথা বলেন। সেই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা যদি নিজেরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় থাকেন সেখানেতো অন্যরা জায়গা করে নেবেই। অপপ্রচারের বিরুদ্ধে নিজেদেরও সরব থাকতে হবে। সত্যটা তুলে ধরতে হবে।
সম্প্রতি সারের ডিলার নিয়োগ নিয়ে অনেক এমপি অভিযোগ তুলে বলেন, সারা দেশে সারের ডিলার নিয়োগ নিয়ে অনেক অভিযোগ উঠেছে। অনেক এলাকায় টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগ, জামায়াতের নেতা-কর্মীকে এই ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ঝিনাইদহে সারের ডিলার নিয়োগে নজিরবিহীন অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও কথা বলেন একজন এমপি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গুদাম নেই, আর্থিক সংগতি নেই—এমনকি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছাত্র, শিক্ষক ও নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদেরও দেওয়া হয়েছে সার ডিলারের লাইসেন্স। অথচ, গত ১৭ বছর ধরে ঘরবাড়ি ছাড়া বিএনপি নেতা-কর্মীদের বঞ্চিত করা হয়েছে। শুধু ঝিনাইদহ নয়, আরও অনেক জেলাতে এ রকম ঘটনা ঘটেছে। এসবের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত বলেও কেউ কেউ জানিয়েছেন।
সভায় কয়েকজন এমপি মাদকের প্রাদুর্ভাব নিয়েও কথা বলেন। তাঁরা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই মাদককে ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন এই মাদক শুধু যুব সমাজ নয়, দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করছে। মাদককে শুধু নিষিদ্ধ করে আইন নয়, এটা বন্ধ করতে সর্বোচ্চ কঠোরতা পালন করা দরকার। যুব সমাজকে রক্ষা করতে, দেশকে রক্ষা করতে মাদকের ছোবল থেকে মুক্ত করতে হবে।
সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত সবার উদ্দেশে বলেন, বিএনপি এখন সরকারে। তাই অনেক বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে দলের প্রত্যেক নেতা-কর্মীদের। দলের নেতা-কর্মীরা যদি অপকর্মে জড়িয়ে পড়েন তাহলে সরকারের বদনাম আরও বেশি হয়। বিরোধীরা আরও বেশি তৎপরতার সুযোগ পায়। তাই দলের কেউ যাতে চাঁদাবাজি, দখলবাজির মতো অপকর্মে না জড়ায় সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সভায় বেশির ভাগ এমপি শিক্ষা খাত নিয়ে নিজেদের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষা খাতে আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংকট দেখা গেছে। শিক্ষার্থীদের তুলনায় শিক্ষকদের সংখ্যাও বেশি অনেক স্কুলে। ব্যঙ্গের ছাতার মতো কিন্ডারগার্টেন, মাদ্রাসা তৈরি হওয়ায় এ সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। জামায়াতের নেতা-কর্মীরা যত্রতত্র মাদ্রাসা, কোচিং ব্যবসা খুলে তাঁদের নেতা-কর্মীদের যেমন কর্মসংস্থান করছেন তেমনি তাঁদের দলীয় কার্যক্রমও এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরিচালনা করছেন। সুশিক্ষার জন্য এবং শিক্ষার মানদণ্ড আরও বাড়ানোর জন্য সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকে নজর বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন এমপিরা।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা খুব দ্রুত জামিনে মুক্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন অনেক এমপি। তাঁরা বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে বিএনপি নেতা-কর্মীদের জামিন খুব কঠিন ছিল। সেখানে এখন নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটির নেতা-কর্মীরা অনায়াসে জামিনে বেরিয়ে আসতে পারছেন। এসব জামিন প্রক্রিয়ায় বিএনপির আইনজীবীরা যুক্ত আছেন কি না তা খতিয়ে দেখারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সভা শেষে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি সাংবাদিকদের বলেন, আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘আমরা কেউ শৃঙ্খলার বাইরে নই। আমরা সবাই যাতে শৃঙ্খলার মধ্যে থাকি।’
নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বিএনপির নাম ব্যবহার করে অন্যায় করে পার পাওয়ার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। চাঁদাবাজ ও দখলদারদের বিএনপিতে কোনো জায়গা নেই। এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।
জাতীয় সংসদ ভবনে ক্ষমতাসীন দলের সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলা এ সভাকে ‘বিশেষ সংসদীয় দলের সভা’ হিসেবে উল্লেখ করেন চিফ হুইপ। তিনি বলেন, সরকারকে আরও শক্তিশালী করা এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করাই ছিল সভার মূল লক্ষ্য। জনগণের সমস্যাগুলো যথাযথভাবে তুলে ধরার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা প্রয়োজন অনুযায়ী বক্তব্য দিয়েছেন।
সরকার গঠনের পর আট মাসে কী কী কাজ হয়েছে, কোন কাজের অগ্রগতি কতটুকু এবং বাস্তবায়নে কী ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে, সে বিষয়ে সংসদ সদস্যদের কাছে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার সমস্যা ও মানুষের প্রত্যাশার কথাও শোনেন তিনি।
চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, সংসদের সর্বশেষ অধিবেশন শেষ হয়েছে গত মাসের ১০ তারিখে। আগামী মাসে নতুন অধিবেশন শুরুর আগে সাধারণত এ ধরনের বৈঠক হয় না। তবে সংসদ সদস্যদের সমস্যা ও মতামত শোনার জন্য প্রধানমন্ত্রী এ সভা করেছেন। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে তিনি সংসদ সদস্যদের কথা শুনেছেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, নির্বাচন যেন সুষ্ঠু হয় এবং কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ না ঘটে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে যিনি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য, তিনি যেন নির্বাচিত হতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।
চিফ হুইপ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না। বিএনপি চেষ্টা করবে, প্রতিটি ইউনিয়নে যেন একক প্রার্থী থাকে। তৃণমূল পর্যায়ে দলের সাংগঠনিক অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে ঐক্যবদ্ধ ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিরা যেন স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি নির্বাচিত হন, সেটিই দলের প্রত্যাশা।
নির্বাচনের সময়সূচি ও অন্যান্য কার্যক্রমের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সাধারণত স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় উল্লেখ করে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন আয়োজন করা উচিত। তবে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কেউ প্রার্থী হলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়নি।
সরকারি দলের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, সভায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে জনপ্রিয় ও যোগ্য প্রার্থী মনোনয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। দুলুর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ভোট নিরপেক্ষ হতে হবে। কারচুপির অভিযোগ তুলে কাউকে কোনো ইস্যু তৈরির সুযোগ দেওয়া যাবে না।
কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া বলেন, সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন। জনগণের সঙ্গে থেকে তাঁদের জন্য কাজ করা এবং জনগণকে সন্তুষ্ট রাখার বিষয়ে তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দলের সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করারও নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
সংরক্ষিত নারী আসনের একজন সংসদ সদস্য বলেন, সভায় দলের ঐক্য ও সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন থাকায় এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রচার-প্রচারণা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, সার বা অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও সেগুলো নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেননি প্রধানমন্ত্রী। বরং বেশি কথা না বাড়িয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন কোথাও সমস্যার মুখে না পড়েন, সে বিষয়ে সংসদ সদস্যদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পূজার আয়োজন নির্বিঘ্ন রাখতে সংসদ সদস্যদের সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত থাকতে বলা হয়েছে বলে জানান চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের পাশাপাশি বিএনপির নেতা-কর্মী এবং সংসদ সদস্যদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, এ বিষয়ে সভায় কোনো আলোচনা হয়নি। আইন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, সরকার সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে।
মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি খাতের অস্থিরতার মধ্যে সেখানে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, সরকার এ বিষয়ে সচেতন রয়েছে। শ্রমিকদের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
সংসদে ও সংসদের বাইরে সংসদ সদস্যদের করণীয় এবং দলের কার্যক্রম নিয়েও প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানান নুরুল ইসলাম মনি।