স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ২৫ অক্টোবর বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা এবং এরপর মাসব্যাপী কঠিন চীবরদান উৎসব উপলক্ষে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
গতকাল সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসন্ন দুই ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি এ সময় বলেন, দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং সব ধর্মের মানুষের নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান সাংবিধানিক দায়িত্ব।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আসন্ন প্রবারণা পূর্ণিমায়, বিশেষ করে সন্ধ্যায় ফানুস ওড়ানোকে কেন্দ্র করে দেশের কোথাও যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পার্বত্য তিন জেলা এবং সমতলের পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও রংপুর অঞ্চলে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।
চলমান দুর্গাপূজার নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বডিওর্ন ক্যামেরা ও সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহারের পাশাপাশি অ্যাপভিত্তিক নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের মনিটরিং সেলের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অসত্য তথ্য ছড়িয়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে সবাইকে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
সভায় বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতারা প্রবারণা পূর্ণিমার তাৎপর্য, সংযম, মন ও চেতনার শুদ্ধি এবং ঐতিহ্যগত ফানুস ওড়ানো ও কঠিন চীবরদানের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তাঁরা সারা দেশের বৌদ্ধ উপাসনালয়গুলোর তালিকা মন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেবেন বলেও জানান।