হোম > জীবনধারা > ফিচার

সপ্তাহে চার দিন যেভাবে ঘর মুছলে রোগ-জীবাণু দূরে থাকবে

ফিচার ডেস্ক

ছবি: পেক্সেলস

প্রতিদিন ঘর মোছা চাপের। গৃহকর্মীও রোজ ঘর মোছার জন্য হাজার টাকার নিচে নেন না। কিন্তু পরিচ্ছন্নতার জন্য এই খরচটাও করতে হয়। বাস্তুশাস্ত্র মতেও রোজ ঘর মোছা অত জরুরি নয়। বাস্তুশাস্ত্র প্রাচীন ভারতীয় স্থাপত্য ও বিজ্ঞানসম্মত নির্মাণশৈলীর দর্শন। বাস্তুবিদদের মতে, ঘর পরিষ্কার করার দৈনন্দিন অভ্যাস বা ঘর মোছার সঠিক নিয়মের মাধ্যমে ঘর থেকে নেতিবাচক শক্তি দূর করে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনা সম্ভব। আর সপ্তাহে মাত্র চার দিন ঘর মুছলেই ঘর থাকবে পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত। তবে ঘর মোছারও কিছু নিয়ম রয়েছে, যা মেনে চলতে হবে।

পানিতে যোগ করুন ঘর

মোছার পানিতে লবণ বাস্তুশাস্ত্রে লবণের ভূমিকা অপরিসীম। লবণকে ময়লা, জীবাণু ও অন্যান্য নেতিবাচক শক্তি শোষণের শক্তিশালী উপাদান মনে করা হয়। ঘর মোছার বালতির পানিতে এক চিমটি সামুদ্রিক লবণ বা রক সল্ট মিশিয়ে নিন। এই পানি দিয়ে ঘর মুছলে ঘরের সমস্ত নেতিবাচক শক্তি দূর হয়, পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ কমে এবং মানসিক শান্তি বজায় থাকে। যদি ঘরে কোনো ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকেন, তবে তাঁর ঘর মোছার সময় পানিতে লবণের পরিমাণ সামান্য বাড়িয়ে দিন। এতে ঘরের রোগ-জীবাণু দূর হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশও ভালো থাকবে।

সুগন্ধি বা কর্পূরের ব্যবহার

ঘর মোছার পানিতে লবণের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার, চন্দন বা লেমন গ্রাস এসেনশিয়াল অয়েল মেশাতে পারেন। অথবা সামান্য কর্পূরের গুঁড়া মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি ঘরে শুধু সুগন্ধই ছড়ায় না, বরং ঘরের চারপাশের বাতাস শুদ্ধ করে এবং মন প্রফুল্ল রাখে।

দিন নির্বাচন করুন

এক দিন পর পর ঘর মুছুন। প্রতিদিন ঘর ঝাড়ু দিয়ে ধুলোময়লা পরিষ্কার করতে হবে।

ঘর মোছার সঠিক সময়

বাস্তু বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ঘর মোছার সময়ের ওপরও ঘরের ইতিবাচকতা নির্ভর করে। সকালের দিকে বা সূর্যের আলো যখন ঘরে প্রবেশ করে, সে সময় ঘর মোছা ভালো। এতে লবণ-পানি দিয়ে মোছার পর সূর্যের তাপে ঘরের জীবাণু মরে যায়। সন্ধ্যায় বা রাতে ঘর মোছা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ, এতে ঘরে স্যাঁতসেঁতে ভাব তৈরি হতে পারে। ঘরের ভেতর থেকে মোছা শুরু করে সদর দরজার দিকে মুছে শেষ করতে হবে। ঘর মোছা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নোংরা পানি বাথরুমের কমোডে ফেলে ফ্ল্যাশ করে দিন। নোংরা পানি বাথরুমের মেঝেতে ফেলবেন না।

সূত্র: ম্যাজিক ব্রিকস, মেইড কর্নার ও অন্যান্য