পিঠের ব্রণকে ইংরেজিতে বলে ব্যাকন। এ সমস্যায় অনেকে ভুগলেও বেশির ভাগ মানুষ এটি নিয়ে খুব একটা সচেতন নয়। যেহেতু পিঠের ব্রণ চোখে পড়ে না, তাই মুখের ব্রণের মতো এটি গুরুত্ব পায় না। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাকনের সমস্যা থাকলে রাতারাতি তা সারিয়ে ফেলা প্রায় অসম্ভব। এর জন্য সময় এবং যত্ন—দুটোই প্রয়োজন হয়। ঠিক কী কারণে ব্যাকন হচ্ছে, তা বুঝতে হবে আগে।
গোসলের সময় পিঠে সাবান, শ্যাম্পু বা কন্ডিশনারের অবশিষ্টাংশ জমে গেলেও ব্যাকনের সমস্যা হতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে ব্যাকনের মূল কারণ ঘাম ও অপরিচ্ছন্নতা। অনেকের আবার খুশকির সমস্যা কিংবা মাথার ত্বকের সংক্রমণ থেকেও এই সমস্যা দেখা দেয়। চুল অপরিচ্ছন্ন থাকলে, তা বারবার পিঠে ঘষা লেগেও ব্যাকন হতে পারে। তাই ব্যাকনের সমস্যা সমাধান করার জন্য আগে নিজের অভ্যাস এবং জীবনযাপনের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
চুলে খুশকি থাকলে সেটা আগে সারিয়ে নিতে হবে। অন্যদিকে অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা থাকলে, তা যেন শরীরে জমতে না পারে, সেদিকে নজর দেওয়া চাই। গোসলের পর পিঠে যাতে সাবান, শ্যাম্পু বা কন্ডিশনারের ফেনা লেগে না থাকে, তাই ভালোভাবে পিঠ পরিষ্কার করতে হবে।
ইতিমধ্যে ব্যাকন হয়ে থাকলে চন্দনবাটা, নিমের নির্যাস অথবা কাঁচা হলুদবাটা ও মধু মিশিয়ে পিঠে দিতে পারেন। এগুলো ব্যাকন এবং এর দাগ দুটোই—দূর করবে।
সূত্র: হেলথলাইন