হলাতুর হরব বা কলার মোচা ভর্তা
উপকরণ
কলার মোচা ১টি, কাঁচা মরিচ পরিমাণমতো, সিদলের শুঁটকি পরিমাণমতো, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, লবণ পরিমাণমতো, ধনেপাতাকুচি পরিমাণমতো।
প্রণালি
কলার মোচার বাইরের অংশ ফেলে দিয়ে কচি অংশ আলাদা করে নিন। এরপর মোচাটি দুই ভাগ করে কাটুন। এবার চুলায় ভালো করে পুড়িয়ে নিন। গ্যাসের চুলা হলে ফয়েল পেপার দিয়ে ভালো করে পুড়িয়ে নিতে পারেন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট পুড়িয়ে নেওয়ার পর চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন।
এরপর কাঁচা মরিচ ও সিদলের শুঁটকি ভালো করে ভেজে নিয়ে পেস্ট করে নিন। এবার মোচাটি কুচি কুচি করে কেটে তার সঙ্গে মরিচ, সিদলের পেস্ট, পেঁয়াজকুচি, লবণ, ধনেপাতা একসঙ্গে মেখে নিন। তৈরি হয়ে গেল মজাদার পাহাড়ি ‘হলাতুর হরব’ বা কলার মোচা ভর্তা।
উপকরণ
বাঁশকোঁড়ল ৪টি, কাঁচা মরিচ পরিমাণমতো, সিদলের শুঁটকি পরিমাণমতো, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, তেল আধা কাপ, লবণ পরিমাণমতো, ধনেপাতাকুচি পরিমাণমতো।
পদ্ধতি বা প্রণালি
প্রথমে বাঁশকোঁড়লের আগাগুলো কেটে নিতে হবে। এরপর ভালো করে ধুয়ে ২০ মিনিট সেদ্ধ করে নিন। কাঁচা মরিচ হালকা ভেজে নিন। এবার কাঁচা মরিচ ও সিদলের শুঁটকি একসঙ্গে বেটে নিন। বাটার সময় অল্প লবণ দিতে পারেন। এরপর একটি কড়াইয়ে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে তার মধ্যে পেঁয়াজকুচি, কাঁচা মরিচ ও সিদলের শুঁটকির পেস্ট একসঙ্গে ভেজে নিন। বাঁশকোঁড়লের আগাগুলোর ভেতরে ভেজে নেওয়া পেস্টের পুরটা চামচ দিয়ে ভরে নিন। পুর ভরা হয়ে গেলে এগুলো কড়াই বা ফ্রাই প্যানে তেল গরম করে ভেজে নিন। বাঁশকোঁড়ল ভাজার সময় তার ওপর হালকা লবণ ছিটিয়ে দিতে পারেন। এবার বাঁশকোঁড়ল একটু পোড়া পোড়া হয়ে এলে তার ওপর ধনেপাতাকুচি দিয়ে নামিয়ে নিন। গরম-গরম পরিবেশন করুন মজাদার পাহাড়ি ‘বাচ্চুরি মালা’।