ঈদ সামনে রেখে নতুন পোশাক, গয়না আর নিখুঁত মেকআপের সঙ্গে একরাশ রেশমি চুলের বাহারি স্টাইল না হলে যেন উৎসবের সাজ পূর্ণ হয় না। কয়েক বছর আগেও ঈদের আগের দিনগুলোতে পারলারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা আর উৎসবের সুযোগে কয়েক গুণ বেশি দামে চুল সাজানো ছিল এক বড় বিড়ম্বনা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই চিত্র বদলে গেছে। আধুনিক ও সচেতন নারীরা এখন পারলারের পেছনে একেকবার ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ না করে ঘরেই পেশাদার মানের ‘হেয়ারস্টাইলিং টুলস’-এর ওপর ভরসা করছেন। এতে সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে, সাজেও আসছে নিজস্বতা।
হেয়ারস্টাইলিং কেন ঘরেই সেরা
ঘরে বসে নিজের হেয়ারস্টাইলিং করার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। সেগুলো হলো—
ঈদের সেরা কিছু হেয়ারস্টাইলিং টুলস
চুল সুরক্ষিত রাখতে সব সময় সেরা মানের স্টাইলিং টুলস ব্যবহার করা উচিত।
হেয়ার ড্রায়ার
ঈদের সকালে দ্রুত চুল শুকাতে এবং চুলে ভলিউম আনতে ড্রায়ার (২২০০-ওয়াট) চমৎকার। এতে থাকা থার্মোপ্রটেক্ট প্রযুক্তি চুল অতিরিক্ত তাপে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। যাঁদের চুল ঘন ও লম্বা, তাঁদের জন্য এটি ১০ থেকে ১৫ মিনিটেই পারলারের মতো ব্লো-ড্রাই লুক দিতে সক্ষম। এগুলোর বাজারমূল্য ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা।
হেয়ার স্ট্রেইটনার
যাঁরা শাড়ি কিংবা কামিজের সঙ্গে স্ট্রেইট চুল পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য এটি সেরা। এর সিরামিক কোটেড প্লেট চুলে কোনো টান না লাগিয়েই মসৃণভাবে স্লাইড করে। মাত্র ৩০ সেকেন্ডে এটি গরম হয়। ফলে তাড়াহুড়োর মধ্যেও ১০ মিনিটে চুল স্ট্রেইট করা সম্ভব। দাম পড়বে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা।
হেয়ার কার্লার ও থ্রি ইন ওয়ান স্টাইলার
লেহেঙ্গা বা শাড়ির সঙ্গে কার্লি চুল বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। ফিলিপস কার্লার দিয়ে খুব সহজে গ্ল্যামারাস চুল পাওয়া সম্ভব। অন্যদিকে, যাঁরা আলাদা অনেক কিছু কিনতে চান না, তাঁদের জন্য থ্রি ইন ওয়ান স্টাইলার সহজ সমাধান। এক যন্ত্রেই চুল শুকানো, সোজা করা এবং কার্ল করার সুবিধা রয়েছে। এগুলোর দাম ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা।
তবে যন্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি চুলের বিশেষ যত্নের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। ঈদের এক সপ্তাহ আগে থেকে দুই থেকে তিনবার চুলে তেলের ম্যাসাজ এবং ভালো মানের হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন। এতে চুলে তাপ দিলেও প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা কমবে না, আর চুলও ভঙ্গুর হবে না।
সূত্র: ইনটু দ্য গ্লস, ক্লাউড নাইন হেয়ার ও পিকাবু