হোম > জীবনধারা

ক্যাপ্টেন আন্ডারপ্যান্টস

রিক্তা রিচি, ঢাকা

খুলেছে স্কুল। অনেক অনেক বই পড়তে আর বাড়ির কাজ করতে হচ্ছে এখন। একই সঙ্গে থাকতে হবে তরতাজা, চনমনে। করতে হবে আনন্দ। পড়ার ফাঁকে খুঁজে নিতে হবে একটু স্বস্তি। সে জন্যই তোমাদের পরিচিত হতে হবে জর্জ বেয়ার্ড ও হ্যারল্ড হাচিন্সের সঙ্গে।

তারা দুজনও তোমাদের মতো স্কুলে পড়ে। তাদেরও পড়াশোনার অনেক চাপ। তাদের স্কুলের প্রিন্সিপাল আবার খুব বদমেজাজি। শিক্ষার্থীদের অনেক চাপ দেন তিনি। হাসি-ঠাট্টা একেবারেই পছন্দ করেন না। কিন্তু জর্জ বেয়ার্ড ও হ্যারল্ড হাচিন্স খুব গম্ভীর হয়ে পড়তে চায় না। তারা চায় আনন্দঘন পরিবেশ। তাদের কাজ হলো কমিক লেখা। এভাবে তারা দুই বন্ধু সুপার হিরো চরিত্র ‘ক্যাপ্টেন আন্ডারপ্যান্টস’ বানিয়ে ফেলে।

দুষ্টুমি করার কারণে জর্জ বেয়ার্ড ও হ্যারল্ড হাচিন্সকে আলাদা করে দেন প্রিন্সিপাল। দুজনের শিফট পরিবর্তন করে দেন। একদিন জর্জ প্রিন্সিপালকে একটি আংটির মাধ্যমে সম্মোহিত করে ফেলে।

সে যা আদেশ করে তা-ই করেন তিনি। জর্জের আদেশে প্রিন্সিপাল হয়ে যান ‘ক্যাপ্টেন আন্ডারপ্যান্টস’। এদিকে স্কুলে আরেকজন শিক্ষক আসেন। তিনি হাসিমুক্ত পৃথিবী বানাতে চান। কিন্তু জর্জ বেয়ার্ড ও হ্যারল্ড হাচিন্স সেই শিক্ষকের পরিকল্পনা ধ্বংস করে দেয়। তারা খারাপ মানুষকে পরাজিত করে পৃথিবীতে হাসি টিকিয়ে রাখে। শিশুদের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা করে। এতক্ষণ বলছিলাম ‘ক্যাপ্টেন আন্ডারপ্যান্টস: দ্য ফার্স্ট এপিক মুভি’ নামের খুব হাসির একটি ছবির কথা। এটি অ্যানিমেশন ছবি। যুক্তরাষ্ট্রের শিশুসাহিত্যিক ড্যাভ পিলকির লেখা শিশুতোষ উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি করা হয়েছে এটি। ৮৯ মিনিটের এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন ডেভিস সোরেন।

আর্লিং হালান্ড: নরওয়েজিয়ান রোবটের ‘আদিম’ খাদ্যাভ্যাস আর পাগলামির গল্প

ফ্যাশনে নতুন মোড়: বডি পজিটিভিটি

রূপচর্চায় ‘লেস ইজ মোর’ তত্ত্বে বিশ্বাসী হয়ে উঠছেন তরুণেরা

ঘরবাড়ি ধুলাবালিমুক্ত রাখতে

বর্ষায় শিশুর চুল থাকুক খুশকিমুক্ত

সাম্বার তালে ব্রাজিল দুলবে কি আজ

অফিস থেকে আগে বের হওয়ার সেরা কিছু অজুহাত

মানুষের মতো ‘মনে মনে’ ভাববে এআই, কোন দিকে যাচ্ছে প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ

ছুটি নেওয়া কি বিলাসিতা? বিজ্ঞান বলছে, ক্যারিয়ারে সফল হতে ছুটির বিকল্প নেই

পুরোনো পোশাকে দিন নতুন প্রাণ: অলস পোশাক থেকেই হোক ট্রেন্ডি ফ্যাশন