হোম > ইসলাম

সুদের ভয়াবহ পাঁচ পরিণতি

আবরার নাঈম 

ছবি: সংগৃহীত

সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়া এক ভয়ংকর ব্যাধি হলো সুদ (রিবা)। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা সুদকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছেন। সুদ গ্রহণ-প্রদানকারী, এর সাক্ষী এবং লেখক—হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী সবাই অভিশপ্ত।

বাহ্যিকভাবে লাভজনক মনে হলেও সুদের লেনদেন মারাত্মক ক্ষতি এবং ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে। এখানে সুদখোরের সেই ভয়াবহ পরিণতিগুলো তুলে ধরা হলো:

বিকারগ্রস্ত হওয়া: আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা রিবা অর্থাৎ সুদ ভক্ষণ করে, তারা কিয়ামত দিবসে ওই ব্যক্তির মতো হয়ে উঠবে, যাকে শয়তান বিকারগ্রস্ততার দ্বারা উদ্‌ভ্রান্ত করে দিয়েছে।’ (সুরা বাকারা: ২৭৫)

নিশ্চিহ্ন হওয়া: সুদ আপাতদৃষ্টিতে সম্পদ বৃদ্ধি করে মনে হলেও এর কোনো কল্যাণ নেই। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করে দেন এবং দানকে বর্ধিত করেন।’ (সুরা বাকারা: ২৭৬)

কুফরের সমতুল্য: আল্লাহ তাআলা মুমিনদের উদ্দেশে বলেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং যা কিছু সুদ বকেয়া আছে, তা ছেড়ে দাও, যদি তোমরা মুমিন হও।’ (সুরা বাকারা: ২৭৮)। এই আয়াতে আল্লাহ মূলত বলছেন যে সুদ হারাম হওয়ার পরও যদি কেউ সুদের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তার ও একজন কাফেরের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না।

আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ: ইমান আনার পরও সুদের লেনদেন করা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যদি তা না করো, তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা জেনে নাও।’ (সুরা বাকারা: ২৭৯)

চিরস্থায়ী জাহান্নাম: যদি কোনো ব্যক্তি সুদের কারবারে লিপ্ত থেকে তওবা না করে মারা যায়, তাহলে মৃত্যুর পর তার চিরস্থায়ী ঠিকানা হবে জাহান্নাম। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা পুনরায় সুদের দিকে ফিরে যাবে, তারা চিরদিন জাহান্নামে থাকবে।’ (সুরা বাকারা: ২৭৫)

ইসলামি সংস্কৃতি ও সভ্যতার বিকাশে মসজিদের ভূমিকা

নবীজি (সা.)-এর স্মৃতিবিজড়িত মদিনার ৫ মসজিদ

কাবিননামায় স্বাক্ষর নিলেই কি বিয়ে হয়ে যাবে?

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৬ অক্টোবর ২০২৬

হিংসা-বিদ্বেষ যেভাবে নেক আমল ধ্বংস করে

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৫ অক্টোবর ২০২৬

সুরা আনআম: গুরুত্ব, তাৎপর্য ও মর্মবাণী

কুমিল্লার প্রবীণ আলেম আল্লামা নুরুল হক আর নেই

নারীর আত্মরক্ষা, নিরাপত্তা ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৪ অক্টোবর ২০২৬